About Me

header ads

উত্তর-পূর্ব ভারতে কোভিডে মৃত্যুর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রাজ্য ত্রিপুরা!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরায় গত ২৪ ঘন্টায় কোভিড থাবায় নতুন করে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫০ জনে।
উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে ত্রিপুরা কোভিডে মৃত্যুর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজ্য। তবে ত্রিপুরার মতো একটি রাজ্য যেখানে জনসংখ্যা প্রায় ৪ মিলিয়ন, সেখানে কোভিড সংক্রমণে ৩৫০ জনের মৃত্যু একটি বড় বিষয়। মৃত্যুর হার এখনও ১ এর অধিক ত্রিপুরায়।
উল্লেখযোগ্য যে, ত্রিপুরায় তিনজন রোগী করোনা পজিটিভ পরীক্ষার পর আত্মহত্যা করেছেন। ৮ জুন রাজ্যে প্রথম কোভিড সংক্রমণে মৃত্যুর খবর আসে। এবং সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই এক মাসে রাজ্যে করোনায় মারা গিয়েছেন ১১২ জন।ইতিমধ্যে ত্রিপুরায় ৩১ হাজার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্যও মোট ৩১ তম হাজার পজিটিভ কেস ছাড়িয়েছে।
গতকাল রাতে স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে প্রকাশ করা প্রেস বুলেটিন বলছে, রাজ্যের গড় পজিটিভিটি হার বর্তমান ৬.৬৮ শতাংশ। গত রাত অবধি রাজ্যে মোট ৪৬৪০০৬ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কোভিডে ত্রিপুরায় সুস্থতার হার কিন্তু ৯০ শতাংশের উপরই। এই হার বর্তমান ৯৪.৯৭%। এ যাবৎ করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ২৯৪০৭ জন। হেলথ বুলেটিন অনুযায়ী এখন সক্রিয়্য রোগীর সংখ্যা ১২০৬ জন। তবে রাজ্যে শনাক্তের সংখ্যা কম হচ্ছে বলে এটি ভেবে নেয়ার উপায় নেই যে, কর ওনা নেই। বিভিন্ন সোর্স অভিযোগ করছে যে, রাজ্যে করোনা টেস্টের সংখ্যা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। পরীক্ষার সংখ্যা হ্রাস হওয়ায় ত্রিপুরায় পজিটিভ রোগীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। যেখানে সেপ্টেম্বরের শেষে এবং অক্টোবরের প্রথম দিকেও প্রতিদিন গড়ে ৩৫০০-৪০০০করোনা পরীক্ষা করা হতো, এখন সেটি নেমে এসেছে প্রতিদিন ১৫০০ থেকে২০০০ এ।
এদিকে, এখনো পর্যন্ত করোনা সারিয়ে ভারতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৭৬ লক্ষ ৫৬ হাজার ৪৭৮ জন।এই সংখ্যা গোটা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের ৯২ শতাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৩ হাজার ৩৫৭ জন। বর্তমান দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হয়েছে ৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭৮৭ জন। বুধবার ভারতে পজিটিভিটির হার ৩.৮২ শতাংশ। দেশে করোনা টেস্ট যথেষ্ট পরিমাণে করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ লক্ষ ৯ হাজার ৬০৯ জনের।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য