About Me

header ads

আসন্ন দীপাবলি উৎসবকে কেন্দ্র করে নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ করোনা আবহে অনেক ত্রাসের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব কাটল। তবে উৎসবের মরসুম তো মোটে শুরু। একের পর এক পুজো আসবে এখন। ফলে করোকনা সংকটকালে আরো অধিক সাবধান হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ফলে আসন্ন আলোর উৎসব দেওয়ালির জন্যে ত্রিপুরা সরকার বেশকিছু নির্দেশনা জারি করেছে।
ত্রিপুরার উদয়পুরে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী দেবীর দীপাবলি উৎসব খুবই বিখ্যাত। তবে আনন্দের আগে এখন স্বাস্থ্যের কথাটাই আগে মনে রাখতে হবে। বিপ্লব দেব সরকার করোনার প্রতি লক্ষ্য রেখে রাজ্য সরকার কিছু নিয়মনীতি জারি করতে চলেছে।
উল্লেখ্য যে, প্রতি বছর দীপাবলি উত্সবের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ উদয়পুরে ভিড় করেন। উদয়পুরের মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির ৫১ পিঠের অন্যতম একটি পিঠ হিসেবে বিবেচিত। মন্দিরের দীপাবলি উৎসবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এসে এখানে একত্রিত হন, তেমনি অন্য দেশ থেকেও প্রচুর ভক্তের সমাগম ঘটে থাকে এখানে। তবে এবার কোনকিছুই হওয়ার নয়। বারবারই আটকে দিচ্ছে করোনা। কোভিড মহামারী পরিস্থিতির কারণে জনসমাগম এড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করা হচ্ছে এবং রাজ্য সরকার ভিড় রোধে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রবর্তন করতে প্রস্তুত।
এই প্রসঙ্গে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আসন্ন দীপাবলি উত্সব উপলক্ষে মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর দর্শনের জন্য অনলাইন বুকিং ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি নির্দেশিকা দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী মতে, অনলাইন বুকিং মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর দর্শনে ভক্তদের প্রচুর জমায়েত এড়াতে সহায়তা করবে। সচিবালয়ে শ্রী শ্রী মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দির ট্রাস্টের এক সভায় অনলাইন বুকিংয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাতা ত্রিপুরা সুন্দরীর পূজা ও দর্শনের জন্য মোট ১৫,০০০ ভক্তকে মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়াও, অনলাইন বুকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ভক্তরা প্রসাদ হোম ডেলিভারি পেতে সক্ষম হবেন।
এছাড়াও ভক্তরা পুজো দেখতে পারবেন না, এমন ভাবনার কোন কারণ নেই। রাজ্য সরকার ত্রিপুরার বিভিন্ন চ্যানেলে দেওয়ালি উত্সবের সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে ভক্তরা ঘরে বসে দেখতে পারেন। তদুপরি, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে যে, মন্দির চত্বরে কোনও দোকান বসতে দেওয়া হবে না। তবে ব্রহ্মবাড়ী থেকে মন্দিরের প্রধান ফটক পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে দোকানগুলিকে কোভিড-১৯ সুরক্ষার নিয়মাবলীসহ অনুমতি দেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করোনা প্রতিরোধে এ বছর কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে না। মন্দির চত্বরে সকলের মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক। মঙ্গল আরতির ক্ষেত্রে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্বের নিয়মগুলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতেভ হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য