About Me

header ads

চরমপন্থীর সংস্পর্শে মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যঃ বিস্ফোরক মন্তব্য সিপিআইএমের!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরায় বেশ কয়েকদিন ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এনএলএফটি। হুমকি দিয়ে চলছে টাকা আদায়ের ঘটনা। ভীষণ আতংকে দিনযাপন করছে রাজ্যবাসী। এবার, সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাস ত্রিপুরার চরমপন্থীর ক্রমবর্ধমান ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে গৌতম দাস বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। বলেন, রাজ্যের বহু জায়গায় এনএলএফটি চরমপন্থী অর্থের জন্যে নোটিশ দিচ্ছে।
গৌতম দাস আরো বলেন, কয়েক মাস আগে পানিসাগর এলাকা থেকে কয়েকজন উগ্রপন্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে যে, একজন মন্ত্রী এবং একজন সংসদ সদস্য এনএলএফটি চরমপন্থীর সাথে সংস্পর্শ/যোগাযোগ রক্ষা করেছেন।
গৌতম দাসের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমও এ তথ্য জানিয়েছে। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে নীরবতা পালন করছে। তিনি আরো বলেন, মন্ত্রী ও এমপির বিরুদ্ধে এটি গুরুতর/ সাংঘাতিক অভিযোগ। সরকারের উচিৎ, গুরুতর এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলা। ঘটনায় ভীত হয়ে পড়েছে রাজ্যের মানুষ। সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক এদিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এনএলএফটি উগ্রপন্থীরা ত্রিপুরার বহু জায়গায় চাঁদাবাজির নোটিশ দিচ্ছে। কিছু চরমপন্থী গ্রেপ্তারও হয়েছে ইতিমধ্যে।
তিনি উল্লেখ করেন, ত্রিপুরা মিজোরাম সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। রিপোর্ট আসে যে, অস্ত্রগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল ত্রিপুরায়। গুরুতর চরমপন্থী ইস্যুতে রাজ্য বিজেপি-আইপিএফটি সরকার মুখে কুলুপ আঁটা। এ বিষয়ে এখনো অবধি কোন আওয়াজ পাওয়া যায়নি। সত্যকে এই সরকার দমন করছে।
গৌতম দাস আরো বলেন, স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সরকারের উচিৎ এমুহূর্তে জনগণকে সতর্ক করা। সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ত্রিপুরায় বহু নিরাপত্তা কর্মী এবং লোককে মেরেছে এবং আহত করেছে চরমপন্থীরা।
উল্লেখযোগ্য যে ত্রিপুরার নিষিদ্ধ সংগঠন এনএলএফটি আবার কিছু গ্রামীণ এলাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। জানা গেছে, এনএলএফটি ক্যাডাররা ধলাই জেলার কয়েকটি জায়গায় চাঁদা আদায়ের দাবি শুরু করেছে। পুলিশ সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এনএলএফটি ((National Liberation Front of Tripura) এর একটি দল এখন গন্ডাছড়া মহকুমায় সক্রিয় রয়েছে এবং তারা ওই এলাকার সাত ব্যবসায়ীকে সাবস্ক্রিপশন নোটিশও দিয়েছে। রাইস্যাবাড়ী ধলাই জেলার গন্ডাচড়া মহকুমায় এবং ইন্দো-বাংলা আন্তর্জাতিক সীমান্তের খুব কাছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য