About Me

header ads

রাজ্যে আবার সক্রিয় নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠন NLFT!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরার নিষিদ্ধ সংগঠন এনএলএফটি আবার কিছু গ্রামীণ এলাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। জানা গেছে, এনএলএফটি ক্যাডাররা ধলাই জেলার কয়েকটি জায়গায় চাঁদা আদায়ের দাবি শুরু করেছে। পুলিশ সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এনএলএফটি ((National Liberation Front of Tripura) এর একটি দল এখন গন্ডাছড়া মহকুমায় সক্রিয় রয়েছে এবং তারা ওই এলাকার সাত ব্যবসায়ীকে সাবস্ক্রিপশন নোটিশ দিয়েছে। নোটিশ পাওয়া এই সাতজন ব্যবসায়ী রাইস্যাবাড়ী থানায় এই তথ্য জানিয়েছেন। রাইস্যাবাড়ী ধলাই জেলার গন্ডাচড়া মহকুমায় এবং ইন্দো-বাংলা আন্তর্জাতিক সীমান্তের খুব কাছে।
উক্ত ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কখনও কখনও মোবাইল ফোনে টেক্সট মেসেজ করেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি রাইস্যাবাড়ি এলাকার সব ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা দিতে হবে এবং এই টাকা রাইস্যাবাড়ি অঞ্চলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পৌঁছে দিতে হবে।
জানা যাচ্ছে যে, গত ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশের একটি শত্রু তা পূর্ণ আধার থেকে প্রথম ফোনটি আসে। হুমকি ফোনের পরই অঞ্চলের মানুষ তাদের নিরাপত্তা এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিষিদ্ধ চরমপন্থী গ্রুপের সদস্যরা যে ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেছিল সেটি রাইস্যাবাড়ী থানা এলাকার দেশরাই পাড়ার বাসিন্দা সোমেন ত্রিপুরা ওরফে হিরো ত্রিপুরা (২৬) এর। এই সোমেন ২০২০ সালের জুলাই মাসে এই দলে যোগ দেয়।
সূত্রটি আরও জানায়, সৌমেন ত্রিপুরা ওরফে হিরো বর্তমানে নিষিদ্ধ চরমপন্থী গোষ্ঠীর আরও চার সদস্যের সাথে রয়েছেন। সবার কাছে রয়েছে এ কে ৪৭ এর মতো আগ্নেয়াস্ত্র। এইসমস্ত অস্ত্র দেখিয়ে সোমেন ত্রিপুরা নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করে টাকা আদায় করতে চায়। সে আগ্নেয়াস্ত্রের ছবি তুলে ডিলারদের প্রেরণ করে, এবং হুমকি দেয় যে টাকা না পেলে সে অনেক কিছু করতে পারে।
গত জুলাই মাসে পুলিশ খোয়াই ও ধলাই জেলা থেকে এনএলএফটির কয়েকজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। এরপরই সৌমেন ত্রিপুরার কথা জানতে পারে পুলিশ। তবে পুলিশ কিছু করার আগেই সোমেন তার স্ত্রী ও শিশুকে নিয়ে রাইস্যাবাড়ী থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে যায়। বর্তমানে তারা খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি থানার শম্ভুরাই পাড়া, বাংলাদেশের খাগড়াছড়িতে সিকে বাড়ি (ভারত) বিএসএফ বিওপি (পি নং -২২৬৫ / ২২৬৬) ( রাইস্যাবাড়ি থানা) থেকে সাত কিলোমিটার দূরে রয়েছেন।
সূত্র আরও জানিয়েছে যে সোমেন ত্রিপুরার (ওরফে-হিরো) লক্ষ্য এখন রাইস্যাবাড়ী এলাকার লোকেদের অপহরণ করা এবং মুক্তিপণ দাবী করা। গন্ডাছড়ার এসডিপিও রাইস্যাবাড়ী থানার কর্মচারী এবং বিএসএফের ১৬৪ তম ব্যাটালিয়ন জওয়ানদের ইন্দো-বাংলা সীমান্তবর্তী এলাকায় সতর্ক থাকতে বলেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য