About Me

header ads

নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠন ভয়াবহভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে রাজ্যে!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ এডিসির নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ত্রিপুরায় ফের চরমপন্থীর তৎপরতা বাড়ছে। এনএলএফটি জঙ্গি সংগঠন পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজির নোটিশ দিচ্ছে। এর আগেও খবর পাওয়া গেছে যে এনএলএফটি( National Liberation Force of Tripura) ধলাই জেলার গন্ডাছড়া মহকুমায় চাঁদাবাজির নোটিশ দিয়েছে। এমনকি অস্ত্র দেখয়ে এরা হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে। এবার গোমতী এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায়ও একই ঘটনা ঘটেছে।
এনএলএফটি জঙ্গিরা দলক, অমরপুরের জামতিয়া কলোনী চেলাগাং মুখসহ বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে চৌধুরীর কাছে এলাকার প্রচুর পরিমাণে চাঁদাবাজির নোটিশ দিচ্ছে। চরমপন্থীর সরাসরি অত্যাচারে মানুষ ভীষণভাবে ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে রাজ্যে। চৌধুরী বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রধান। তারা অনেকটা গ্রাম প্রধানের মতো।
গোমতি জেলার ডালাক, জামাতিয়া কলোনি এবং গোমতী জেলার অমরপুর মহকুমার অন্যান্য জায়গার গ্রামবাসীদের হুমকি দিয়েছে এনএলএফটির দুই সহযোগী (over ground collaborator) ।
শুধু তাই নয়, তারা আরও জানায় যে, দেওয়ালির আগে অর্থ সংগ্রহ করবে। মহকুমা পুলিশ অফিসার রমেশ যাদব জানান, চাঁদাবাজি নোটিশ দেয়ার অভিযোগে গত ১ নভেম্বর বীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চাঁদা আদায় করার নোটিশ দেয় এমন একজন এনএলএফটি সহযোগীকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আশাবাদী, এর মধ্য দিয়ে অন্যান্য সহযোগীদের নামও খুব শিগগির বেরিয়ে আসবে।অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসবে।
স্থানীয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে জানা যাচ্ছে যে, এনএলএফটি উগ্রপন্থীরা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তারা চাঁদাবাজের নোটিশগুলি ওভার গ্রাউন্ড সহযোগীদের মাধ্যমে বিতরণ করছে। আতংকগ্রস্ত করে তুলছে জনগণকে।
উল্লেখযোগ্য যে, ত্রিপুরার স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ নির্বাচন মুলতুবি রয়েছে। নোভেল করোনা মহামারীর জন্যে নির্বাচন এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি। এরমধ্যেই ত্রিপুরায় উগ্রবাদী সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
উল্লেখযোগ্য যে এর আগে এনএলএফটি ((National Liberation Front of Tripura) এর একটি দল গন্ডাছড়া মহকুমায় এলাকার সাত ব্যবসায়ীকে সাবস্ক্রিপশন নোটিশ দিয়েছে। নোটিশ পাওয়া এই সাতজন ব্যবসায়ী রাইস্যাবাড়ী থানায় এই তথ্য জানিয়েছেন। উক্ত ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার ফোন করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কখনও কখনও মোবাইল ফোনে টেক্সট মেসেজ করেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি রাইস্যাবাড়ি এলাকার সব ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা দিতে হবে এবং এই টাকা রাইস্যাবাড়ি অঞ্চলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পৌঁছে দিতে হবে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিষিদ্ধ চরমপন্থী গ্রুপের সদস্যরা যে ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেছিল সেটি রাইস্যাবাড়ী থানা এলাকার দেশরাই পাড়ার বাসিন্দা সোমেন ত্রিপুরা ওরফে হিরো ত্রিপুরা (২৬) এর। এই সোমেন ২০২০ সালের জুলাই মাসে এই দলে যোগ দেয়।
আরও জানায়, সৌমেন ত্রিপুরা ওরফে হিরো বর্তমানে নিষিদ্ধ চরমপন্থী গোষ্ঠীর আরও চার সদস্যের সাথে রয়েছেন। সবার কাছে রয়েছে এ কে ৪৭ এর মতো আগ্নেয়াস্ত্র। এইসমস্ত অস্ত্র দেখিয়ে সোমেন ত্রিপুরা নিজেকে শক্তিশালী প্রমাণ করে টাকা আদায় করতে চায়। সে আগ্নেয়াস্ত্রের ছবি তুলে ডিলারদের প্রেরণ করে, এবং হুমকি দেয় যে টাকা না পেলে সে অনেক কিছু করতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য