About Me

header ads

ধর্ষণ-গণধর্ষণের ঘটনায় গোটা দেশের সাথে পিছিয়ে নেই রাজ্যও! মহিলাকে ধর্ষন করে হত্যার চেষ্টা!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ গোটা ভারত যখন উত্তরপ্রদেশে গণধর্ষণ এবং সেখানে পুলিশের হস্তক্ষেপে জোর করে মেয়েটির মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় কাঁপছে, প্রতিবাদে মুখর দেশ। নারী বাঁচতে পারছে না, যেদিকে তাকানো যায়, শুধু ধর্ষণ আর ধর্ষণ! ঠিক সেই সময়ই উত্তর পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরায় আরো একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে গেল! মহিলাকে রেপ করে হত্যা করারও চেষ্টা করা হয়, কিন্তু পারেনি পাষণ্ড ব্যক্তি!

মহিলার উপর নির্যাতন চালিয়ে তাঁকে খুন করার চেষ্টা চালাচ্ছিল, ঠিক সে সময়ই অন্য এক মহিলার নজরে আসে বিষয়টি! তখনই তিনি চিৎকার শুরু করে দেয়ায় অভিযুক্ত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমার প্রত্যন্ত উপজাতি গ্রাম চন্দুলে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে, ভুক্তভোগী আদিবাসী মহিলা কাজের জন্য রাবার বাগানে গিয়েছিলেন। গতকাল বিকেলে তিনি যখন বাড়ি ফিরছিলেন, সে সময়ই মামন হোসেন নামক পেশায় চালক উক্ত ব্যক্তি মহিলাকে অপহরণ করে।

ভিকটিম মহিলা পুলিশকে জানিয়েছেন, মামন হোসেন রাবার বাগানের কাছে একটি জঙ্গলে তাঁকে ধর্ষণ করে এবং হত্যার চেষ্টা করে। মুহুর্তে একজন মহিলা তা লক্ষ্য করায় এবং তিনি চিৎকার শুরু করলে তখনই মামন হোসেন সেখান থেকে পলায়ন করে। ভয়াবহ এই ঘটনার কথা ভদ্রমহিলা বাড়িতে গিয়ে স্বামী এবং গ্রামবাসীকে জানান।

ঘটনার কথা জানতে পেরেই গ্রামবাসীরা মেলাঘর-উদয়পুর সড়ক অবরোধ করে মামন হোসেনের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। এসডিপিও (মহকুমা পুলিশ অফিসার) সোনামুরার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সন্ধ্যার পর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ধিক্কারজনক এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত জনতা মামন হোসেনের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। ধর্ষক মামন হোসেন হচ্ছে সে অঞ্চলের এক কুখ্যাত লোক, তার স্ত্রীও কিছুদিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মেলাঘর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলুরাম দাস জানান, আসামিকে আজ আদালতে প্রেরণ করা হবে। আদালতে ধর্ষকের জন্যে রিমান্ড চাওয়া হবে।

আরো একটি এ প্রসঙ্গেই উল্লেখ করা জরুরি যে, গতকালই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, দুটো মেয়ে এক চরিত্রহীন পুরুষের শার্টের কলার ধরে পেটাচ্ছে! পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা এটি! কারণ সেই পুরুষ সকল মেয়েদের দিকে তাকিয়ে নোংরামো করত! ক্ষুব্ধ মেয়েরা এদিন ধরেছে তাকে।

তাদের অভিযোগ, এই পাষণ্ড লোকটিকে পালিয়ে যাওয়ার জন্যে সাহায্য করতে চেয়েছিল পাড়ারই কিছু লোক! বলা বাহুল্য, যতদিন সমাজ এই বিকৃত পুরুষদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করবে, ততদিন ধর্ষণ থামবে না! আপনারা সকলে সজাগ হোন, একটি মেয়েকেও যেন আর এভাবে মরতে না হয়!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য