About Me

header ads

অবশেষে রাজ্যে সাত মাস পর চালু হলো বিদ্যালয়!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ দীর্ঘ ৭ মাস পর আজ, ৫ অক্টোবর থেকে ফের ত্রিপুরার স্কুলগুলি চালু হলো। দির্ঘসময় বন্ধের পর স্কুলে আসতে পেরে আনন্দিতই ছাত্র-ছাত্রীরা! কারণ এই করোনাকাল টানা একটা অবসাদে নিয়ে গিয়েছিল বাচ্চাদের। তবে ক্লাস শুরু হলেও সকলের জন্যেই নয়!

প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারবে। তবে এক্ষেত্রেও অভিভাবকের অনুমতি প্রয়োজন হবে। তাঁদের আপত্তি না থাকলে বাচ্চারা বিদ্যালয়ে যেতে পারবে। অর্থাৎ বিষয়টি এখনো স্বেচ্ছাকৃতই রাখা হয়েছে।

শিক্ষা বিভাগ এর আগেই ৫ অক্টোবর থেকে স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল । তবে সব রকম স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এই করোনা প্রেক্ষাপটে। প্রতিদিন শুধু ৫০ শতাংশ শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী এর আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়ন সম্পদ মন্ত্রক প্রত্যেক রাজ্যকে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় খোলার পরামর্শ দেয়। তবে ত্রিপুরায় তা করা হয়নি ইচ্ছাকৃতভাবেই। কারণ রাজ্য সরকার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্যে আরও কয়েকটা দিন সময় নিতে চায়। এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ৫ অক্টোবর থেকে স্কুলগুলি আবার চালু হবে, তবে এক্ষেত্রে সব শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ স্কুলে যাওয়ার ব্যাপারটি অভিভাবকের উপর নির্ভর করবে।

অভিভাবকরা যদি চান তবে তাঁদের সন্তান স্কুলে যাবে। অনুমতি দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ক্লাস নাইন থেকে টুয়েলভ পর্যন্ত। প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বর্তমানের এই সময় বিদ্যালয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুমতি দেয়া হয়নি।

শিক্ষা বিভাগ প্রতিটি স্কুলে স্ক্রিনিং মেশিন এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করেছে। ক্লাসের আগে বাচ্চারা কীভাবে তাদের হাত স্যানিটাইজ করবে, সেটি শিক্ষকরা দেখিয়ে দিয়েছেন। করোনা মহামারী পরিস্থিতির জন্যে ত্রিপুরার স্কুলগুলো গত ১৬ মার্চ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সাত মাস পর রাজ্যে স্কুল শুরু হয়েছে।

এদিকে, গতমাসে প্রতিবেশি ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, কিন্তু প্রচণ্ডভাবে সমালোচিত হওয়ার ফলে শেষ পর্যন্ত সাত দিনের মধ্যে রাজ্যের শিক্ষা বিভাগ সেগুলো বন্ধ করে দেয়। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এবং সিপিআইএম বিধায়ক তপন চক্রবর্তী রাজ্যের এই সিধান্তের বিরোধিতা করে বলেন, বিদ্যালয় চালু করার সময় এখন আসেনি। কারণ কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে দিনে দিনে। তিনি এই মুহুর্তে স্কুল খোলার জন্য সরকারের অবস্থানের বিরোধিতা করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য