About Me

header ads

পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবিতে এডিসি এলাকায় বিজেপি শরিক আইপিএফটির ২৪ঘন্টার বনধ!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবিতে স্বশাসিত জেলা পরিষদ বা এডিসি এলাকায় আজ সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টার বনধ ডেকেছে ত্রিপুরা শাসকজোটে বিজেপির জোট শরিক আইপিএফটি। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বনধের ভালই সাড়া মিলেছে। স্বশাসিত পরিষদে ভোট এগিয়ে আসছে। এই অবস্থায় আইপিএফটি তাদের পুরনো তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে ফের সরব হয়েছে।

গন্ডাছড়া, উদয়পুর, অমরপুরা, সাব্রুম, হেজামারা, খোয়াইতে বনধ ছিল সর্বাত্মক। কাঞ্চনরপুরে বিজেপি সমর্থিত বাঙালি একতা মঞ্চ অবশ্য বনধের বিরোধিতা করেছে। সেখানে বনধ ছিল আংশিক। বনধ সমর্থন করেনি বিজেপি, সিপিএমও। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আইপিএফটি সদস্যরা রাস্তা অবরোধ করে, টায়ার জ্বালায়। অবরোধের জেরে গর্জি এলাকায় আগরতলা-উদয়পুর জাতীয় সড়কও বন্ধ হয়ে পড়ে।

এডিসি এলাকায় বিভিন্ন সরকারি দফতর বন্ধ ছিল। হেজামারা ব্লক অফিস খোলেনি। গন্ডাছরা এসডিএম অফিস খোলা হলেও কোনও কর্মী হাজির ছিলেন না। আইপিএফটি নেতা সদস্যরা ত্রিপুরার বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়ে পৃথক তিপ্রল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে স্লোগান দেন।

২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে আইপিএফটি তিপ্রাল্যান্ড নিয়ে তেমন সরব হয়নি। কিন্তু এডিসি নির্বাচন আসায় তারা তাদের মূল দাবিতে সরব হয়েছে।

আইপিএফটি মুখপাত্র তথা সহকারী সাধারণ সম্পাদক মঙ্গল দেববর্মা জানান এডিসি এলাকায় বনধ চলবে আজ সকাল ৬টা থেকে আগামী কাল সকাল ৬টা পর্যন্ত। তিনি বলেন, বনধ সর্বাত্মক ছিল। ভূমিপুত্ররা বন্ধকে পুরোপুরি সমর্থমন করেছেন। তিন সদস্যের আইপিএফটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি গিয়েছেন।

কিন্তু জোট শরিক হলেও বিজেপি পৃথক তিপ্রাল্যান্ড গঠনের ঘোর বিরোধী। তারা নির্বাচনের আগে কোনও যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন্। কিন্তু আইপিএফটি বিধানসভা ভোটের আগেও পৃথক রাজ্যের দাবিতে অবরোধ করে। ২০১৭ সালে বরামুড়ায় জাতীয় সড়ক ও রেলপথ ১০ দিন অবরুদ্ধ রাখে তারা ফলে শোচনীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়।

২০১৭ সালে সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিক মান্দাই থেকে সড়ক অবরোধের খবর সংগ্রহে গিয়ে খুন হন। তাঁর গাড়ির চালক জীবন দেবনাথ নিখোঁজ ছিলেন। ৪৮ দিন পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। অবশ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত পৃথক রাজ্যের দাবি নিয়ে আইপিএফটি তেমন সরব হয়নি। কিন্তু নির্বাচনের মুখে তারা পুরনো অস্ত্রে শান দিচ্ছে। ত্রিপুরা বর্তমান স্বশাসিত পরিষদের মেয়াদ ১৭ মে শেষ হয়েছে। কিন্তু করোনার জন্য নির্বাচন পিছিয়ে যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য