About Me

header ads

রাজ্যে ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধের বিকৃত কামনার শিকার দুই শিশু কন্যা!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ প্রায় ৬০ বছরের উর্দ্ধে দাদুর বয়সী এক বৃদ্ধ দুই ফুটফুটে মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায়। মহারাজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই পাশবিক ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা যাচ্ছে, একজন সরকারী কর্মচারি এখানে ভাড়া থাকেন। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি ব্যাংকে চাকুরিরত। তাঁর স্ত্রী বিউটি পার্লারে কাজ করেন। দুই নাতনিকে নিয়ে ঠাকুমা সারাদিন বাড়িতে একাই ছিলেন। এই একাকীত্বের সুযোগ নিয়ে বাড়ির মালিক দুটো বাচ্চাকে যৌন নির্যাতন করেছে। অভিযুক্তের বয়স ৬০ বছরের বেশি হবে। নির্যাতিতা একটি শিশুর বয়স চার বছর এবং অন্যটি মাত্র সাত বছর। ঘটনার প্রেক্ষিতে আগরতলা মহিলা থানায় গতরাতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার ত্রিপুরা শিশু অধিকার সংরক্ষণ কমিশনের চেয়ারপারসন নীলিমা ঘোষ শিশুর বাড়িতে গিয়ে দুই শিশু এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, বাড়ির মালিক যে জঘন্য কাজ করেছে, তা সভ্য সমাজের জন্যে লজ্জাজনক। তিনি তদন্তের অবস্থা জানার জন্যে থানায় যাবেন আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্যযোগ্য যে, গত কয়েকমাস যাবৎ ত্রিপুরায় একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটে চলেছে। পুলিশ পাকড়াও করছে, কিন্তু লাভের লাভ কিছু হচ্ছে না। পুরুষতান্ত্রিকতা উপড়ে ফেলতে না পারলে এই ধর্ষণ বন্ধ হবে না। স্পষ্টভাবে বললেন একজন নারীবাদী। এর আগে ত্রিপুরায় ৮ বছরের একটি নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ ৫-৬ জন নাবালক। সম্প্রতী দেখা যাচ্ছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা ধর্ষণ এবং গণধর্ষণের আঁখরা হয়ে উঠেছে। একের পর এক বীভৎস ধর্ষণ এবং গণধর্ষণের ঘটনাগুলো সামনে আসছে।
লোকজনের অভিযোগ প্রশাসন সঠিকভাবে ধর্ষক, নারী নির্যাতনকারীদের শাস্তি দিলে এমন ঘটনাগুলো ঘটাতে দ্বিতীয়বার কোন পুরুষ চিন্তা করবে। ৮ বছরের নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে বামুতিয়াতে। এর আগে ক্লাস এইটের এক বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ৫-৬ জন যুবক মিলে গণধর্ষণ করার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছিল। সেটি ছিল বিশ্রামগঞ্জের।
অন্যদিকে তেলিয়ামুড়াতেই আরো একটি মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। উক্ত নাবালিকা মেয়েটিকে নেশা ড্রাগস খাইয়ে অজ্ঞান করে কৌশলে তার কয়েকটি নগ্ন ছবি মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দী করেছিল ধর্ষক। পরে মোবাইলের নগ্ন ছবি দেখিয়ে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে নাবালিকা মেয়েটিকে। বিকৃত মানসিকতাসম্পন্ন পুরুষরা বিভিন্ন উপায়ে, সুযোগ নিয়ে ৮ থেকে ৮০ কাউকে ছাড়ে না নির্যাতন করতে। সচেতন মহলের দাবী নারী সুরক্ষায় প্রশাসনের আরো কড়া ভূমিকা পালন করতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য