About Me

header ads

রাজ্যের সব প্রবেশ পয়েন্টে বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষা বাতিল করল রাজ্য সরকার!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরা রাজ্যের প্রতিটি প্রবেশ পয়েন্টে আর করোনা টেস্ট করানোটা বাধ্যতামূলক নয়। কোভিড টেস্টের এই প্রক্রিয়া বাতিল করেছে বিপ্লব দেব সরকার। শনিবার রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে।

উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে সড়ক, রেলপথ এবং বিমানের সমস্ত যাত্রীদের জন্যে করোনা পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। তবে এখন আর তেমন এভাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করার প্রয়োজন বোধ করছে না স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে থার্মাল স্ক্রিনিং কিন্তু বন্ধ হবে না। প্রত্যেক যাত্রীকে স্ক্রিনিং করানো হবে। স্ক্রিনিংয়ে কোন যাত্রীর শরীরে যদি করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সেই যাত্রীর নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন ত্রিপুরার সচেতন জনগণ এবং রাজ্যের বিরোধী দল। যে সময় উত্তর পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরায় হু হু করে বাড়ছে করোনা, ঠিক সে সময় সরকারের এ হেন শিথিলতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন হচ্ছে। ত্রিপুরায় করোনার পজিটিভিটি রেট অত্যন্ত বেশি। গত এক মাস থেকে এটি ৬ শতাংশেরও বেশি। তদুপরি রাজ্যে করোনা সংক্রমণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পর্যন্ত ২৭০ জন ব্যক্তি করোনা সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন।

ভয়াবহ এই সময়ই কেন রাজ্যের প্রতিটি প্রবেশ পয়েন্টে বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষা বাতিল করা হলো? সরকারের কাছে তাঁদের প্রশ্ন, সরকার মহামারী করোনাকে কী হালকাভাবে নিচ্ছে? তবে এক্ষেত্রে বলা বাহুল্য, করোনা মোকাবিলায় বিপ্লব দেবের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে! বারবারই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে যে, ত্রিপুরার রেল এবং বিমান যাত্রীদের গত কয়েকদিনে করোনা পজিটিভ সংখ্যা খুবই কম। ফলে, প্রত্যেক যাত্রীর নমুনা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

বিবৃতি অনুযায়ী, এখন থেকে কেবল করোনার লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের পরীক্ষা করা হবে। তদুপরি যাত্রীর স্ক্রিনিং যথারীতি চলবে। এ বিষয়ে এমবিবি বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, নমুনা সংগ্রহ করতে অনেক সময় ব্যয় করা হয়। এতে যাত্রীরাও বিরক্ত হন। তাই রাজ্য সরকার স্থির করেছে, শুধু করোনার লক্ষণ থাকলেই নমুনা পরীক্ষা করা হবে। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের একটি দল সার্বক্ষণিক বিমানবন্দরে থাকবে। চিকিৎসকের দলটি প্রত্যেক যাত্রীকে স্ক্রিনিং করবেন এবং প্রয়োজন হলে নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। তবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে কিন্তু যথেষ্ট প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য