About Me

header ads

১লা অক্টোবর থেকে রাজ্যের সমস্থ পর্যটনকেন্দ্র খুলে দিচ্ছে সরকার!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরা সরকার ১ অক্টোবর থেকে রাজ্যের সমস্ত পর্যটন স্থল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্চ মাস থেকে করোনার জন্য পর্যটনস্থলগুলি বন্ধ হয়ে রয়েছে। রাজ্যের অর্থনীতি অনেকটা পর্যটনের উপর নির্ভর করে, তাই এখন রাজ্য সরকার অক্টোবরের প্রথম দিন থেকে সমস্ত পর্যটনকেন্দ্র খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লকডাউন এবং করোনার মহামারী পরিস্থিতির কারণে যে সমস্ত মানুষ পর্যটন নির্ভর তাঁরা সংকটের মুখে পড়েছেন। পর্যটন শিল্পকে জোরদার করতে রাজ্য সরকার কিছু সিদ্ধান্তও নিয়েছে। পর্যটনকে আরও ব্যাপকভাবে প্রচার করতে কারবুক মহকুমার ডুম্বুর হ্রদের কাছে একটি হেলিপ্যাড তৈরির পদক্ষেপে করছে বিপ্লব দেবের সরকার।

ডুম্বুর হ্রদ এবং ছবিমুরা অঞ্চল ত্রিপুরার অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। ছবিমুড়া বা চবিমুড়া ত্রিপুরার গোমতী নদীর তীরে খাড়া পাহাড়ের দেওয়ালে খোদাই করার প্যানেলগুলির জন্য বিখ্যাত। এখানে শিব, বিষ্ণু, কার্তিক, মহিষাসুর মর্দিনী দুর্গা এবং অন্যান্য দেবদেবীদের মূর্তি খোদাই করা চিত্র রয়েছে। এটি রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে গোমতী জেলার অন্তর্গত অমরপুর মহকুমায় গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত, ছবিমুড়ায় রয়েছে বিশাল জলাশয়, ডুম্বুর হ্রদ।

পর্যটনমন্ত্রী প্রাণজিৎ সিংহ রায় বলেন "যে সমস্ত পর্যটক ডাম্বুর হ্রদের নস্টালজিক সৌন্দর্যে নিমগ্ন হতে চান তাঁরা হেলিকপ্টারে এই সরোবরে আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এটি পর্যটকদের জন্য উপরি পাওনা হবে।"

স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকার পর্যটন খাতকে একটি শিল্পে রূপান্তর করতে চায়। মন্ত্রী আরও বলেন, ত্রিপুরা রাজ্য হিসেবে ছোট হলেও এর সৌন্দর্য বিরাট। "উনাকোটি, পিলাক, নীরমহল, ছবিমুড়া এবং ডুম্বুর হ্রদ রাজ্যের পর্যটনের দিন বদল ঘটাতে পারে।

আজ পর্যটন বিভাগ চবিমুড়ার ডুম্বুর হ্রদে আজ ওয়াটার স্কুটার, ভাসমান জেটি এবং স্পিড বোট চালু করেছে। ডুম্বুর লেক ও নারিকেল কুঞ্জের পর্যটনে পরিকাঠামো আরও বিস্তৃত করা হবে। মন্ত্রী স্থানীয় যুবকদের পর্যটন শিল্পে জড়িত হওয়ার জন্য আবেদন করেন। কারণ এটি দ্রুত কাজের সুযোগ তৈরি করে। তিনি বলেন, "আরও বেশি পর্যটকের আগমন মানে স্থানীয় মানুষের আরও বেশি ব্যবসা। পর্যটন দফতর যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য