About Me

header ads

হাসপাতাল পরিদর্শনের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন জিবিপি হাসপাতাল!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ বিতর্ক যেন জিবিপি হাসপাতালের পিছুই ছাড়ছে না। গতকাল রাতে ত্রিপুরার অন্যতম বৃহৎ হাসপাতাল জিবিপি দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে ছিল। রাজ্য করোনা পরিস্থিতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্রিপুরা সরকার কয়েকদিন আগে জিবিপি-কে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করেছে। রাজ্যের অন্যতম বৃহৎ হাসপাতাল জিবিপিতে তার পর থেকেই করোনার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বর্তমানে সংকটজনক রোগীদের চিকিৎসা জিবিপি হাসপাতালে করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘক্ষণ জিবিপির মতো বড় হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় নানান মহলে প্রশ্ন উঠছে। এমনকী অভিযোগ উঠছে যে বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তেমন পাত্তাও দেয়নি। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, একদিন আগেই অর্থাৎ বুধবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব জিবিপি হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। মুখ্যমন্ত্রী জিবিপি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং ডাক্তারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। এই সময়ে কি করে রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল জিবিপি-র পরিষেবা আরও উন্নত করা যায় ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই জিবিপি-তে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকেও বড়সড় প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিল। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় রোগী এবং তাঁদের পরিবারের লোকেরা স্বভাবতই ক্ষুব্ধ। করোনা আক্রান্ত রোগীরা দীর্ঘক্ষণ গরমে হাঁসফাঁস করতে থাকেন। কিন্তু রোগীদের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিদ্যুৎ আনার কোনো ব্যবস্থাই করেনি। উপরন্তু তাঁরা যে অভিযোগ জানালে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো পাত্তাই দেয়নি।
জিবিপি হাসপাতালের রোগীদের অভিযোগ এখানে সবাই বোবা, কানা হয়ে বসে আছে। করোনা রোগীদের দুর্দশার দিকে কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই। রোগীরাই জানালেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে থেকে রাত পর্যন্ত হাসপাতালের ইলেকট্রিক সংযোগ ছিলনা। কোভিড কেয়ার সেন্টার থেকে শুরু করে ট্রমা কেয়ার সেন্টার-সহ জিবিপি হাসপাতালের একাধিক বিভাগ এই দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। কোথাও কোথাও একঘণ্টা পরে বিদ্যুৎ এলেও বহু বিভাগে ৩-৪ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ ছিল না।
দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিপর্যয় এবং রোগীদের নাজেহাল অবস্থার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনো কিছুই জানানো হয়নি। এমনকী কি কারণে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যু ছিল না সেই বিষয়েও জিবিপি কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য