About Me

header ads

কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী মোদির 'কুশপুতুল' দাহ করলো প্রদেশ কংগ্রেস!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ কেন্দ্রের বিজেপি পরিচালিত এনডিএ জোট সরকারের নতুন কৃষি আইনের বিরোধিতায় দেশ জুড়ে চলছে কৃষক প্রতিরোধ ও সড়ক অবরোধ। এই বিদ্রোহের রোষে ত্রিপুরা ফের সরগরম। দেশের কৃষকরা ইতিমধ্যে করোনার মহামারিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন।

এর মধ্যেই তিন কৃষি বিলে সই করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারবারই বলেন, এমনকি মন কি বাত এও বুঝিয়েছেন, প্রকৃতপক্ষে কৃষি আইন ক্ষতি করবে না। মোদ্দা কথা কৃষকরা এখন থেকে স্বাধীন! তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। উসকানো হচ্ছে।

পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজধানী দিল্লি উত্তপ্ত এই আইন নিয়ে, এই আঁচ কিন্তু ত্রিপুরাতেও কম নয়। বিরোধী কংগ্রেস, তৃণমূল আগামি নির্বাচনের আগে আগে ইস্যু একটি পেয়েই জোর প্রতিবাদ সাব্যস্ত করছে। দেশের কৃষক সংগঠন এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি দাবি করছে যে এই আইন কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থী। তারা সংসদে পাস হওয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

ত্রিপুরায় সোমবার কংগ্রেস কর্মীরা রাজভবন অভিযানে মার্চের আয়োজন করে। কৃষকদের সমর্থনে এবং কৃষকবিরোধী আইনের বিরোধিতায় কর্মীদের এই যাত্রা। কংগ্রেস কর্মীরা ধানের চারা এবং লাঙল দিয়ে প্রতীকী বিক্ষোভ দেখান। কর্নেল চৌমোহনী এলাকায় পুলিশ বিরোধী এই কর্মসূচি থামানোর জন্যে প্রতিবাদকারীদের থামিয়ে দেয়।

বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন প্রাক্তন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি বীরজিৎ সিনহা, কংগ্রেস নেতা সুশান্ত চক্রবর্তী, এনএসইউআইয়ের সম্রাট রায় এবং বিভিন্ন কংগ্রেস সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পুলিশের তরফ থেকে বাধা আসার পরই বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিমূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

সংবাদ মাধ্যমের কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা বীরজিৎ সিনহা বলেন, প্রতিবাদের মাধ্যমে এই কৃষকবিরোধী এই আইন বাতিল করতে হবে। নরেন্দ্র মোদী সরকার কৃষকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা করেছেন। সরকার যদি এগুলো বাতিল না করে তবে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে "।

উল্লেখ্য, এর আগেও বিলগুলো আইনে পরিণত হওয়ার আগে কিষাণ সংঘর্ষ সমন্বয় সমিতির নেতৃত্বে বিভিন্ন বাম দল এবং কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে রাজধানী আগরতলায় এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছিল। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রকাশ করে হাজার হাজার আন্দোলনকারী এই প্রতিবাদে যোগ দেন। হাজার হাজার মানুষ কৃষক বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। আগরতলায় সিপিআইএম সমর্থক ও শ্রমিকরা প্যারাডাইজ চৌমুহনীতে আধঘন্টার জন্যে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এভাবেই গোটা ভারতে চলছে প্রতিবাদ! তবে কেন্দ্রের দৃঢ় বিশ্বাস, মাঠে নেমে কৃষকদের বোঝালে তাঁরা প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন। এ মুহূর্তে তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য