About Me

header ads

রাজ্যে করোনা সংক্রমনের কারন সামাজিক দূরত্ব না মানাঃ কেন্দ্রীয় টিম!

 

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলা, শতভাগ মাস্ক পরিধান করা এবং শরীরে করোনার লক্ষণ ফুটে ওঠা অথবা হাল্কা শরীর খারাপেও বাড়িতে বসে অবহেলা না করে শিগগির ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া, এই তিনটে জিনিস তথা কর্তব্য হচ্ছে প্রাথমিক! বলা যায় করোনা ঠেকানোর প্রাথমিক অস্ত্র! অথচ দেখা গেছে ত্রিপুরার একাংশ অসচেতন জনগণ এই নিয়মনীতিগুলো না মেনে নিজের ইচ্ছেমতো চলছেন! আর তাইজন্যে উত্তর পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সবচেয়ে বেশি করোনায় মৃত্যুহার এবং পজিটিভিটি রেটে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে।

রাজ্যের হাই পজিটিভিটি রেট এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির মূল কারণ অনুসন্ধানের জন্যে কেন্দ্রের সরকার বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছিল। উক্ত টিম ত্রিপুরার প্রতিটি জেলা সফর করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

আইনমন্ত্রী রতনলাল নাথ এ সম্পর্কে বলার সময় বলেন, কেন্দ্রীয় দলের মতানুযায়ী, রাজ্যে মৃতের হার এবং পজিটিভিটি রেট বৃদ্ধির কারণ মূলত তিনটি!

প্রথমত, অসচেতন জনগণ মুখে মাস্ক পরতে চাইছেন না! অথচ যেটা করোনা ঠেকানো একটি সাহসিক উপায়; মানুষের মধ্যে মাস্ক পরার অনীহা ত্রিপুরার করোনা পরিস্থিতি খারাপ করার প্রথম কারণ!

দ্বিতীয়ত, জনগণ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে না মোটেও! ফলে ধীরে ধীরে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি! সংক্রমণ বাড়ছে।

তৃতীয়ত, রোগী অনেক দেরি করা হাসপাতালে আসছেন! অর্থাৎ হয়তো তাঁরা আলস্যবশত শরীর খারাপ হওয়ার পরও ঘরে বসে থাকছেন!

ত্রিপুরায় বর্তমান সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ২২২ ছুঁয়েছে। অন্যদিকে পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বর্তমান ২০৬৯৮ জন। মৃত্যু হার এবং পজিটিভিটি রেটে ত্রিপুরা এখন উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম স্থান দখল করে আছে!

রাজ্য সরকার হিমশিম খাচ্ছে করোনা নিয়ন্ত্রণে! মানুষের অসাবধানতার দিকে লক্ষ্য রেখে করোনা আবহে মাস্ক পরাটা জরুরি, এই বার্তা দেয়ার জন্যে এবং করোনা ভাইরাসের শেকল ভাঙার জন্যে ১৮ এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ত্রিপুরায় মাস্ক পরার ক্ষেত্রে বিশেষ অভিযান চালানো হবে! প্রয়োজনে ফাইনও করা হবে!

শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, সঠিকভাবে এবং শতভাগ মাস্ক না পরা নিয়ে কেন্দ্রীয় দলটির সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণের পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী রতন লাল নাথ আবার বলেন, প্রতি মিলিয়ন পরীক্ষা, পজিটিভিটি হার এবং মৃত্যুর হার তিনটি মূল বিভাগে রাজ্য এখনও উন্নত অবস্থানে রয়েছে। তবে কোভিড যুদ্ধের বিষয়টা যতটা উদ্বিগ্নের, সুস্থতার হার উদ্বেগজনক। ত্রিপুরায় মৃত্যুর হার এবং পজিটিভিটি হার দাঁড়িয়েছে ১.১০ শতাংশ এবং ৫.৮৫ শতাংশে। যা অন্যান্য ১৭ রাজ্যের তুলনায় ভালো! মন্ত্রীর মতে!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য