About Me

header ads

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যে কংগ্রেসের ডাকা বন্ধ সর্বাত্মক!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ত্রিপুরায় কংগ্রেসের ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধের প্রভাব গোটা রাজ্যেই পড়ল। জনতার দুর্দশা, কোভিড পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থতা, অর্থনীতির পতন, ১০৩২৩ জন শিক্ষকের কাজ না হারানো, বেকারত্বের মতো বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিবাদে আজ সকাল থেকে বন্ধ শুরু হয়। রাজ্য সরকার আগেই সব দফতরের কর্মীদের আজ অবশ্য হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। গত কালই রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, বনধ ব্যর্থ করছে বিজেপিও রাস্তায় নামবে।

সেই মতো, আজ সকাল থেকে ত্রিপুরার বিভিন্ন রাস্তায় বিজেপির সমর্থকরা বনধ ভাঙতে উদ্যোগী হয়। অবশ্য তারপরেও হাঙ্গামার ভয়ে বেশিরভাগ আম জনতায় রাস্তায় বেরোয়নি। বন্ধ থাকে অধিকাংশ দোকানপাট। বন্ধ সফল করতে নামে কংগ্রেস কর্মীরাও। নর্থগেট এলাকা, বিদুরকর্তা চৌমহনি ও বিভিন্ন স্থানে কংগ্রেস কর্মীরা রাস্তায় শুয়ে পথ অবরোধ করেন। রাস্তায় টায়ার জ্বালানো হয়। বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পুলিশ থাকলেও তারা নীরব দর্শকের মতো শাসক দলের নেতাদের নির্দেশে কাজ করেছে।

কৈলাশহরে পুলিশ উত্তেজিত কংগ্রেস সমর্থকদের দমন করতে দশ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে। অমরপুর মহকুমায় বিজেপি সমর্থকেরা কংগ্রেস সমর্থকদের উপরে চড়াও হয়। কদমতলাতেও সংঘর্ষ হয়েছে।

ত্রিপুরা কংগ্রেসের সভাপতি পীযুষ বিশ্বাস বনধ আশাতীতভাবে সফল ও সর্বাত্মক করায় জনতাকে ধন্যবাদ দেন। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আজকের বনধ প্রমাণ করল এই বনধ ছিল জনতার জন্য ও রাজনীতির ঊর্ধে।

যদিও বিজেপি গত কাল থেকে বনধ ব্যর্থ করতে উঠেপড়ে লেগেছিল। কিন্তু বিজেপি বনধ বিরোধী কর্মসূচি নিলেও জনতা রাস্তায় নামেনি। পুলিশ কংগ্রেস সমর্থকদের অনেক এলাকাতেই বাধা দিয়েছে। পুলিশ ও কংগ্রেস কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ নিয়ে পশ্চিম ত্রিপুরার এসপি মাণিক দাস বলেন, ছোটোখাটো ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিলেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য