About Me

header ads

করোনা ভাইরাসের হটস্পটে পরিণত হয়েছে আগরতলা!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসের হটস্পটে পরিণত হয়েছে আগরতলা শহর। প্রশাসন আগরতলা শহরের একাংশে ব্যাপকভাবে করোনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ত্রিপুরায় কোভিড-১৯ সংক্রমণে মোট ১০২ জন ব্যক্তি মারা গেছেন। এই সংখ্যার মধ্যে আগরতলা শহরেরই আছেন ৫১ জন।
শুধু তাই নয়, ত্রিপুরার মোট করোনা পজিটিভ রোগীর ৫০ শতাংশেরও বেশি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার। এই বিষয়টি খুব ভাবাচ্ছে। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা শহরে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু এবং কোভিড পজিটিভ কেস উভয়েরই সংখ্যা খুব বেশি।
পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন দশটি নির্বাচিত ওয়ার্ডে ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (পশ্চিম ত্রিপুরা) সৈলেশ কুমার যাদব এই নির্বাচিত অঞ্চলগুলিতে করোনার পরীক্ষা চালানোর আদেশ জারি করেছেন। মোট ১০ টি ওয়ার্ড ক্রমে ৪, ৫, ৬, ১২, ১৩, ১৪, ২০, ২৬, ৪০, এবং ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে সর্বাধিক করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে।
উল্লেখিত এই ১০টি ওয়ার্ডে প্রত্যেক একটি পরিবারের অন্তত একজনের করোনা টেস্ট করতে হবে। প্রতিটি দলকে দৈনিক ৫০ জনের কোভিড পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোভিড পজিটিভ ব্যক্তিদের কীভাবে হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে, সে বিষয়টি বোঝানোর জন্যে লিফলেট প্রদান করা হবে। সঙ্গে দেয়া হবে ওষুধের কিট। যা থেকে তাঁরা বুঝতে পারবেন কীভাবে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। যেসব ক্ষেত্রে সিসিসি বা ডিসিএইচসি-তে স্থানান্তরিত হওয়া দরকার, সেগুলোর জন্য সিএমও (পশ্চিম ত্রিপুরার) ব্যবস্থা করা হবে।
আদেশ অনুযায়ী, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সিএমও (চিফ মেডিকেল অফিসার) এবং ডিএসও (জেলা নজরদারি অফিসার) এর সাথে পরামর্শক্রমে আগামি দুই সপ্তাহের মধ্যে এই ১০টি ওয়ার্ডে প্রচারণা পদ্ধতিতে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য করোনা মোকাবিলা! এর জন্যে ত্রিপুরা সরকার বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। CMO (পশ্চিম) এই ১০ টি ওয়ার্ডের প্রতিটি স্থানে কয়েকটি স্থির পরীক্ষামূলক কেন্দ্রের ব্যবস্থা করবে।
লক্ষ্য করা গেছে, রাজ্যের বাজারগুলোতে সামাজিক দূরত্ব মানার কোন বালাই নেই। শতভাগ মানুষের মুখে নেই মাস্ক। অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এ নিয়ে সম্প্রতী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফলে এবার মেসিভ আকারে করোনা পরীক্ষার উপর জোর দেয়া হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য