About Me

header ads

রাজ্যের বেশকিছু এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ করোনা সংক্রান্ত তথ্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান রাজ্যের ৩০ টি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম জেলায় ২ টি, সিপাহীজলা জেলায় ৮ টি, ধলাই জেলায় ৩ টি, দক্ষিন জেলায় ৩ টি, উত্তর জেলায় ৮ টি, গোমতী জেলায় রয়েছে ৫ টি। এই এলাকা গুলি সম্পর্কে জানান তিনি। কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেন জেলা শাসক। কোন এলাকায় শেষ করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়ার ২৮ দিনের মধ্যে নতুন কোন করোনা আক্রান্ত না হলে সেই জোন ফ্রি হয়।
কন্টেইনমেন্ট জোন এলাকায় ৬টি ব্যারিকেড করা হয়। ৪০ থেকে ৫০ টি পরিবারের উপর নজর রাখে MPW ও আশা কর্মীরা। কোন ধরনের উপসর্গ পেলে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে স্থানান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। খোয়াই জেলায় কন্টেইনমেন্ট জোন না থাকলেও বাফার জোন রয়েছে। পূর্ব ঘিলাতলি গ্রাম পঞ্চায়েত, উত্তর ঘিলাতলি ভিলেজ কমিটি, শ্রীরামখাড়া ভিলেজ কমিটি, ঘিলাতলি গ্রাম পঞ্চায়েত, দক্ষিন মহারানীপুর ভিলেজ কমিটি, দক্ষিন ঘিলাতলি গ্রাম পঞ্চায়েত, উত্তর কৃষ্ণপুর ভিলেজ কমিটি, এই এলাকা গুলি বাফার জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে এই বাফার জোন করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
করোনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান দিতে গিয়ে মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান রাজ্যে পর্যবেক্ষণে রয়েছে ৩৮ হাজার ৮০৫ জন। ১৪ দিনের সময়সীমা সম্পন্ন করেছে ২৬ হাজার ৮৫৪ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৭৬৭ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ১১ হাজার ২২৪ জন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪০ হাজার ৮৩৮ জনের। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৭ হাজার ১১৫ জনের। রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে ৩৬ হাজার ৬১২ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ১৯২ জন। এইদিন ভগৎ সিং যুব আবাস থেকে ১৯ জনকে পরীক্ষা করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৬১৯ জনের। এইদিন চোরাইবাড়ি দিয়ে রাজ্যে প্রবেশ করেছে ৩০৪ জন। তার মধ্যে ট্র্যাক চালক ১৫৭ জন, সাধারন নাগরিক ১৪৭ জন। বাধারঘাট স্পোর্টস হোস্টেলকে কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার থেকে ১৭০ শয্যা বিশিষ্ট এই কোভিড কেয়ার সেন্টার চালু হবে বলেও জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য