About Me

header ads

আগামী ১ জুন থেকে ট্রেন চলবে, জেনে নিন খুঁটিনাটি!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ আগামী পয়লা জুন থেকে ২০০টি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা শুরু হবে ।এই ট্রেনগুলির জন্য আসন সংরক্ষণ ২১শে মে থেকে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রবাসী শ্রমিক ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের সুবিধার্থে যে সমস্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন এবং অন্যান্য স্পেশাল এসি ট্রেন চালানো হচ্ছে এগুলি তার অতিরিক্ত। এই ট্রেনগুলিতে এসি ও নন-এসি সহ সাধারণ কামরা রয়েছে এবং ট্রেনগুলি সম্পূর্ণ সংরক্ষিত শ্রেণীর।
সাধারণ কামরা, সংরক্ষিত কামরা ও সেকেন্ড সিটিং-এর ক্ষেত্রে সাধারণ ভাড়া ধার্য হবে ।এই ট্রেনগুলিতে কোনও অসংরক্ষিত কামরা থাকছে না। সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির সহযোগিতায় শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনগুলির পরিষেবা অব্যাহত থাকছে ।সমস্ত মেল/এক্সপ্রেস, যাত্রীবাহী ও শহরতলীর ট্রেন পরিষেবা সহ অন্যান্য ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকছে। এই ট্রেনগুলির জন্য আসন সংরক্ষণ, কোটা, কনসেশন, ক্যান্সেলেশন ও রিফান্ড, ক্যাটারিং ও অন্যান্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে।
বর্তমানে স্টেশনগুলিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা রয়েছেই, তাছাড়াও যাতায়াতের পৃথক ব্যবস্থা করা হবে। আদর্শ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী কেবল কনফার্ম টিকিটের ক্ষেত্রেই যাত্রী সাধারণ এবং যানবাহন চালকদের স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে।
আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট, অভিন্ন পরিষেবা কেন্দ্র এবং টিকিট এজেন্টদের মাধ্যমে টিকিট বুক করা যাবে। স্থানীয় চাহিদা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ২২শে মে থেকে পর্যায়ক্রমে টিকিট সংরক্ষণ কাউন্টারগুলি খোলা হয়েছে। অগ্রীম টিকিট সংরক্ষণের সময়সীমা সর্বাধিক ৩০ দিন করা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম-নীতি অনুসারে আরএসি এবং ওয়েটিং লিস্ট তৈরি করা হবে। ওয়েটিং লিস্টে থাকা যাত্রীদের ট্রেনে ওঠার অনুমতি নেই।
কোনও অসংরক্ষিত টিকিট বিক্রি করা হবে না এবং যাত্রার সময় কোনও টিকিট দেওয়া হবে না। তৎকাল ও প্রিমিয়াম তৎকাল টিকিট বুকিং-এর অনুমতি নেই। সংশ্লিষ্ট ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রা সূচনার কমপক্ষে ৪ ঘন্টা আগে প্রথম তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সমস্ত যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক এবং কেবল উপসর্গহীন যাত্রীদের ট্রেন সফরের অনুমতি দেয়া হবে।
যাত্রীদের কমপক্ষে দেড় ঘন্টা আগে স্টেশনে পৌঁছতে হবে। যে সমস্ত যাত্রীর কাছে কনফার্মড্ টিকিট রয়েছে, কেবল তাঁদের স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। স্টেশনে প্রবেশের সময় এবং সফরকালে সমস্ত যাত্রীকে মাস্ক পরে থাকতে হবে। স্টেশন ও ট্রেন সফরের সময় যাত্রীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছনোর পর যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। রেগুলার ট্রেনগুলিতে সব ধরনের কোটার সুবিধা মিলবে এবং সীমিত সংখ্যক রিজার্ভেশন কাউন্টার খোলা থাকবে। দিব্যাঙ্গ জনদের কেবল ৪টি শ্রেণীতে এবং রোগীদের ১১টি শ্রেণীতে ভাড়ায় ছাড়ের সুবিধা রয়েছে।
রেল যাত্রী (টিকিট বাতিল ও ভাড়ার অর্থ ফেরৎ) আইন, ২০১৫ অনুযায়ী ক্যান্সেলেশন ও রিফান্ড সংক্রান্ত নিয়ম একই থাকছে। যাত্রার সময় করোনার উপসর্গ দেখা দিলে এবং সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে সুস্থ বলে মনে না হলে টিকিটের ভাড়া ফেরৎ দেওয়া হবে।
কনফার্মড্ টিকিট থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় কোনও যাত্রীর দৈহিক তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয় বা কোভিড-১৯ এর লক্ষণ দেখা যায়, তা হলে তাঁকে যাত্রায় অনুমতি দেওয়া হবে না। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে ভাড়ার পুরো টাকাই ফেরৎ দেওয়া হবএ। যে সমস্ত যাত্রীর উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, তাঁদের রেল স্টেশনগুলির প্রবেশপথ/চেকিং পয়েন্ট/স্ক্রিনিং পয়েন্টগুলিতে যাত্রা সংক্রান্ত শংসাপত্র দেওয়া হবে।
ভাড়ার টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য যাত্রা শুরুর ১০ দিনের মধ্যেই অনলাইনে টিডিআর ফর্ম দাখিল করতে হবে। সেই সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে প্রকৃত টিটিই সার্টিফিকেট আইআরসিটিসি-র কাছে পাঠাতে হবে। এরপর, সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টিকিট কাটার অর্থ জমা পড়বে। ট্রেনের ভাড়ায় ক্যাটারিং মাশুল অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আগাম টাকা মিটিয়ে খাবার বুক করার সংস্থান রয়েছে। ই-ক্যাটারিং পরিষেবা থাকছে না।
আইআরসিটিসি নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনে মাশুল মেটানোর ভিত্তিতে সীমিত সংখ্যক খাবারের প্যাকেট ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করবে। যাত্রীদের খাবার ও পানীয় জল সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রেল স্টেশনগুলিতে ক্যাটারিং পরিষেবা ও খুচরো বিক্রয়ের দোকানগুলি খোলা থাকছে। ফুড প্লাজা এবং রিফ্রেসমেন্ট ইউনিটগুলিতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। পরবর্তে, খাবার সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া যাবে। যাত্রার সময় ট্রেনের ভেতরে কোনো চাদর, বালিশ ও তোয়ালে থাকছে না।সফরের সময় যাত্রীদের নিজস্ব চাদর, তোয়ালে প্রভৃতি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এসি কামরাগুলিতে সকলের সুবিধা মতো তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হবে।যাত্রীদের হাল্কা ও কম ওজনের সামগ্রী নিয়ে সফরের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
(Courtesy:PIB)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য