About Me

header ads

প্রথম দুই বিএসএফ করোনা আক্রান্ত জওয়ানের শারীরিক অবস্থার স্থিতিশীলঃ অতিরিক্ত মুখ্যসচিব!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ শনিবার নতুন করে ১৭ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। তারা সকলে বি.এস.এফ ৮৬নং বাহিনীর সাথে যুক্ত। ৪৫৬টি নমুনার মধ্যে এইদিন ১৭টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। সেই সূত্র ধরে গণ্ডাছড়ার দিনারাই পাড়া বি.ও.পি কন্টেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। কেন না করোনা আক্রান্ত এক জওয়ান ১৫ দিন সেই বি.ও.পি-তে ছিল। তবে এলাকাটি জঙ্গল প্রধান এলাকা হওয়ায় বি.ও.পি-র জওয়ান ছাড়া অন্য কারোর নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন পড়েনি। বি.ও.পি-তে অবস্থানরত ৪৩ জন জওয়ানের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
রবিবার ৪৫০ টি নমুনা পরীক্ষার কাজ চলছে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আমবাসার জওহর নগরের বি.এস.এফ ১৩৮নং ও ৮৬নং বাহিনীর সমস্ত জওয়ান ও পরিবারের সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। রবিবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য তুলে ধরেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এস.কে রাকেশ।
তিনি আরও জানান এইদিন রাজ্য থেকে ৯৯ জন রাজস্থানের কৌটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। অন্যদিকে বেঙ্গালুর থেকে ১২০০ জনকে নিয়ে ট্রেন রাজ্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে অথবা বুধবার ভোরে রাজ্যে পৌঁছাবে ট্রেনটি। অন্য একটি ট্রেন চেন্নাই থেকে রওয়ানা হবে মঙ্গলবার। বেঙ্গালুর থেকে আসা ট্রেনের জন্য রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে ১২ দশমিক ৭৮ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কোভিড কেয়ার সেন্টার গড়ার জন্য জেলা শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে গোমতী জেলার জেলা শাসক কোভিড কেয়ার সেন্টার হিসাবে ট্রেনিং হোস্টেল বিল্ডিং-কে ঘোষণা করেছেন। বাকি জেলা শাসকরা দ্রুত এই ঘোষণা করবে। নতুন ডিসচার্জ পলিসি ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত প্রথম দুই বি.এস.এফ জওয়ান সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের মঙ্গলবার রাতে বা বুধবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। বি.এস.এফ-কে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
রবিবার চুরাইবাড়ি দিয়ে রাজ্যে প্রবেশ করেন ৩৬৮ জন। তার মধ্যে ট্র্যাক ড্রাইভার ছিল ১৭৩ জন। রোগী ছিল ১৫ জন। বাকি ১৮০ জন সাধারন মানুষ। বেঙ্গালুর থেকে আসা ১২০০ জনের জন্য ১১ টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। তাদের কোন স্টেশনে নামানো হবে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে। রবিবার নতুন করে ২৮ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন রয়েছে সাধারন মানুষ। NCDC-কে রাজ্যে আসার জন্য আবেদন করা হয়েছে। সোমবার জানা যাবে তারা কবে রাজ্যে আসছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়েছে বলে জানান রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এস.কে রাকেশ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ