About Me

header ads

রাজ্যে অবস্থানরত পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেনের সময় সূচি ঘোষণা করল সরকার!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল শুক্রবার পৃথক পৃথক ভাবে রাজ্য সরকারের আধিকারিক ও বি.এস.এফ ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করেছেন। তারা জিবি ও ভগৎ সিং কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেন। শনিবার ফিল্ড ভিজিট তদন্তের জন্য ধলাই জেলায় যাবেন। শুক্রবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য জানান আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ।মন্ত্রী রতন লাল নাথ কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য দিতে গিয়ে জানান রাজ্যে পর্যবেক্ষণে রয়েছে ১৫ হাজার ৯০২ জন। ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করেছে ১২ হাজার ৬৬৭ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৩০০ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২ হাজার ৯৩৫ জন। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৭২ জনের। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৬১ জনের। পজেটিভ এসেছে ১৫৬ জনের। নেগেটিভ এসেছে ১২ হাজার ৪০৫ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৪২ জন। চিকিতসারত রয়েছে ১১২ জন। চোরাইবাড়ি দিয়ে শুক্রবার রাজ্যে প্রবেশ করেছে ৩৪২ জন। তার মধ্যে ট্র্যাক চালক রয়েছে ১১২ জন। সাধারন মানুষ রয়েছে ২১৮ জন। গাড়ি প্রবেশ করেছে ৩৫৫ টি। হটস্পট থেকে এসেছে ৩৯ টি গাড়ি। নমুনা পরীক্ষা চলছে ৬১১ জনের। এখনো পর্যন্ত রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে ৩৫০ জনের।
মন্ত্রী রতন লাল নাথ আরও জানান আগামি ১৭ মে জিরানিয়া স্টেশন থেকে ১ হাজার ৫৮৪ জনকে নিয়ে ২২ বগির একটি ট্রেন বিহারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। এইটি পৌঁছাবে বিহারের খাড়ারিয়া। জনপ্রতি খরচ হবে ৬০০ টাকা। আগামি ১৯ মে বিলোনিয়া থেকে গয়ার উদ্দেশ্যে আরও একটি ট্রেন যাত্রা করবে। জনপ্রতি খরচ আসবে ৬৮০ টাকা। ২০ মে আগরতলা থেকে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্যে আরও একটি ট্রেন ছাড়বে। জন প্রতি খরচ হবে ৭৬০ টাকা। এই তিনটি ট্রেনের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে প্রদান করা হয়েছে ৩২ লক্ষ ৩১ হাজার ৩৬০ টাকা। কর্ণাটক থেকে ১ হাজার ৪৪০ জনকে নিয়ে একটি ট্রেন শুক্রবার রাজ্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। অনুরুপ ভাবে তামিলনাড়ু থেকেও আগরতলার উদ্দেশ্যে একটি ট্রেন রওয়ানা হয়েছে। মহারাষ্ট্র থেকে ১৬ অথবা ১৭ মে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া ট্রেনটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এই ট্রেনে করে ১ হাজার ৩৩৮ জনের আসার কথা ছিল। এর মধ্যে দুই জনের করোনা সংক্রমণ হওয়ায় এবং ৬ জন কোয়ারেণ্টাইনে থাকায় মহারাষ্ট্র সরকার সকলকে পরীক্ষা করে ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিনটি ট্রেনের আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন সবুজ সঙ্কেত মিলেনি। হায়াদ্রাবাদ থেকে ১ হাজার ৪৫৪ জনকে নিয়ে একটি ট্রেন সহসাই রওয়ানা হবে।
স্বাক্ষরতা ও শিক্ষা দুইটি পৃথক জিনিস। রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাক্ষরতা মিশনের সঙ্গে একটি বৈঠক করা হয়। লেখা পড়া ও গুনা তবেই তাকে পূর্ণ স্বাক্ষরতা বলা যায়। রাজ্যের স্বাক্ষরতার বিষয় নিয়ে কিছু কিছু জায়গায় সার্ভে করা হয়। আগরতলা পুর নিগমের একটা অংশে সার্ভে করা হয়েছে। খোয়াই পুরপরিষদ এবং দক্ষিন ত্রিপুরায় এই সার্ভে করা হয়। স্বাক্ষরতার সঙ্গে পড়াশুনার পার্থক্য রয়েছে বলে এইদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মন্ত্রী রতন লাল নাথ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ