About Me

header ads

শ্বশুর বাড়িতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু এক গৃহবধূর!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ বিশালগড়ের গজারিয়া এলাকার বাসিন্দা মাম্পি দাসের সাথে ৬ থেকে ৭ বছর পূর্বে বিয়ে হয়েছিল এয়ারপোর্ট থানার অন্তর্গত গান্ধি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা অমল বিশ্বাসের। বর্তমানে তাদের একটি ছেলে রয়েছে।
অভিযোগ বিয়ের পর থেকে মাম্পি দাসকে মারধর করতো স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এরই মধ্যে সোমবার বিকালে নিজ ঘর থেকে মাম্পি দাস বিশ্বাসের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের বড় বোন মনিবালা দাস মৃতের বাড়িতে ছুটে আসে। মৃতার বড় বোনের অভিযোগ মাম্পি দাস বিশ্বাসকে স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুরি মিলে গলা টিপে হত্যা করেছে। তিনি আরও বলেন মৃতার ছেলে এই কথা বলেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন বিয়ের পর থেকে মাম্পি দাস বিশ্বাসকে মারধর করতো স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুরি। মৃতের শ্বাশুরির বক্তব্যে পরিলক্ষিত হয় অসংলগ্নতা। তিনি প্রথমে বলেছেন তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ছেলে অমল বিশ্বাস বাজার থেকে বাড়িতে এসে ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পায় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তখনই তিনি ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন। তিনিই প্রথমে বলেছেন ছেলের বৌর মৃতদেহ তিনি দেখতে পান নি। পরক্ষনে তিনি নিজেই বলছেন তিনি দেখেতে পান ছেলের বৌ সুফার মধ্যে বসে রয়েছে। তার থেকে স্পষ্ট সম্পূর্ণ ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন। শুনে নিন মৃতার শ্বাশুরি ঠিক কি বললেন।
এইদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এস ডি পি ও এনসিসি  প্রিয়া মাধুরি মজুমদারের নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এইদিকে ঘটনার সাথে সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় মৃতার স্বামী অমল বিশ্বাস। পুলিশ মৃতার শ্বাশুরিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। মৃতার শ্বাশুরির বক্তব্য ও ঘটনাস্থলের চিত্র থেকে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা যায় মাম্পি দাসকে হত্যা করা হয়েছে। এখন দেখার পুলিশের তদন্তে কি রহস্য বেরিয়ে আসে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য