About Me

header ads

রাজ্যে উদ্ধার মাঝ বয়সী এক গৃহবধূর গলা কাটা মৃত দেহ!

ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ এডিনগর থানার অন্তর্গত শ্রীনগর এক নং রোড এলাকায় দীর্ঘ তিন বছর যাবৎ স্ত্রী অনিমা চক্রবর্তী ও এক ছেলেকে নিয়ে এক বাড়িতে ভাড়া থাকতো গৌতম চক্রবর্তী। পেশায় দিন মজুর গৌতম চক্রবর্তী। ওনার স্ত্রী অনিমা চক্রবর্তী আগরতলা রেল স্টেশনে ছাপাই কর্মী হিসাবে কাজ করে। গৌতম চক্রবর্তী প্রায়ই মদমত্ত অবস্থায় থাকতো। মদমত্ত অবস্থায় বাড়িতে এসে প্রায়ই স্ত্রী অনিমা চক্রবর্তীকে মারধর করতো। কিন্তু ছেলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনিমা স্বামীর অত্যাচার সহ্য করে দিন যাপন করছিল।
শুক্রবার অনিমা চক্রবর্তী ছেলেকে নিয়ে বোনের বাড়িতে গিয়েছিল। রাতে অনিমা বোনের বাড়ি থেকে নিজের ভাড়া বাড়িতে চলে আসে। ছেলে বোনের বাড়িতে থেকে যায়। শনিবার ছেলে বাড়িতে এসে দেখতে পায় বিছানার উপর মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে রয়েছে। তখনই মৃতার বোন মৃতার ছেলের মোবাইলে ফোন করলে সে মাসিকে জানায় তার মাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মৃতার বোন। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পরে ঘটনার খবর। এস.ডি.পি.ও আমতলির নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মৃতার বোন জানান প্রায়ই অনিমা চক্রবর্তীকে মারধর করতো তার স্বামী। মদমত্ত অবস্থায় গৌতম চক্রবর্তী বাড়িতে এসে স্ত্রী ও ছেলেকে গালি গালাজ করতো। কিন্তু অনিমা চক্রবর্তী পুলিশের দ্বারস্থ হয়নি কোনদিন।
এস.ডি.পি.ও আমতলি জানান রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে ধারালো কোন কিছু দিয়ে মৃতার গলা কাটা হয়েছে। মৃতার স্বামী পলাতক। হয়তো রাতের বেলা স্ত্রীকে হত্যা করে গৌতম চক্রবর্তী পালিয়ে গেছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর ঘটনাস্থলে আনা হয় ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ ও পুলিশ কুকুর। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পলাতক অভিযুক্ত গৌতম চক্রবর্তীকে জালে তোলার চেষ্টা চলছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ