About Me

header ads

লকডাউন ৪.০- কী করবেন, কী পারবেন না!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে কোভিড -১৯ সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের মেয়াদ ৩১ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন ৪.০ -তে নির্দেশিকা হিসেবে ৯ পাতার একটি গাইডলাইন জারি করা হয়েছে। এবারের লকডাউনে বেশ কিছু শিথিলতা থাকছে। আন্তঃরাজ্য গাড়ি ও বাসের যাতায়াত চালু করা হয়েছে। স্পোর্টস কমপ্লেক্স ও স্টেডিয়ামও খুলবে এবার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যে জাতীয় নির্দেশাবলী লাগু করেছে, তাতে বলা হয়েছে প্রকাশ্য স্থান ও কর্মক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, প্রকাশ্য স্থানে থুথু ফেললে জরিমানা হবে এবং প্রকাশ্য স্থানে মদ্যপান করা যাবে না, পান বা গুটখা খাওয়া যাবে না।
এ ছাড়া ৩১ মে পর্যন্ত জমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে, স্কুল বন্ধ থাকবে, মল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকবে এবং বন্ধ থাকবে মেট্রো ও বিমান পরিষেবা। এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া সমস্ত দেশিয় ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিষিদ্ধ।

কোভিড মোকাবিলায় জাতীয় নির্দেশিকা:
কর্মক্ষেত্র ও প্রকাশ্য স্থানে মুখ ঢেকে রাখতে হবে।
প্রকাশ্য স্থান ও কর্মক্ষেত্রে খুখু ফেলা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সমস্ত প্রকাশ্য স্থানে ও পরিবহণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
বিয়ের মত ক্ষেত্রে জমায়েতে সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে। ৫০ জনের বেশি অতিথিকে ডাকা যাবে না।
শেষকৃত্যের মত ক্ষেত্রে জমায়েতেও সামাজিক দূরত্ববিধি মানতে হবে এবং কোনওভাবেই ২০ জনের বেশি জমায়েত হওয়া যাবে না।
প্রকাশ্য স্থানে মদ্যপান, গুটখা, পান বা তামাক চিবোনো যাবে না।
দোকানে ক্রেতার থেকে ৬ ফুটের দূরত্ব রাখতে হবে এবং একসঙ্গে ৫ জনের বেশি খদ্দের দোকানে আসতে দেওয়া চলবে না।

কর্মক্ষেত্রের জন্য নির্দেশিকা:
যতদূর সম্ভব, বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে।
কর্মক্ষেত্র, দোকান, বাজার, শিল্প ও বাণিজ্য সংস্থায় কাজের সময়ের শিথিলবিধি অনুসরণ করা উচিত।
ঢোকা বেরোনোর সময়ে থার্মাল স্ক্যানিং, হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজারের ব্যবহার রাখতে হবে।
পুরো কর্মক্ষেত্র, সাধারণ স্থান, এবং দরজার হাতলের মত যে সব জায়গায় মানুষের সংস্পর্শ আসে, সেখানে বারবার স্যানিটাইজ করতে হবে।
সমস্ত কাজের জায়গায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, দুটি শিফটের মধ্যে সময়ের ব্যবধান রাখতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ