About Me

header ads

কোলাকুলির অভিযোগে পুলিশের বেধড়ক প্রহারে আধমরা ইমরান!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ অভিযোগ উঠেছিল কোলাকুলি করার। তারপরেই বেদম প্রহার করলেন পুলিশ কর্মীরা। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে দিল্লিতে। বুধবার দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির সাগরপুরে একজন এসি মেরামতকারী কর্মী কলোনিতে সবাইকে জড়িয়ে ধরছেন এমন অভিযোগ উঠেছিল।
তারপরেই আসরে নামে পুলিশ। স্থানীয়দের সামনেই বেদম প্রহার করে পুলিশ। এই কারণে সেই পুলিশ কর্মীকে আপাতত সাসপেন্ডও করা হয়েছে।
স্থানীয়রা ভিডিও তুলে সোশ্যাল নেটওয়াকিং সাইটে সেই ভিডিও পোস্ট করে। সেই ভিডিওতেই দেখা যাচ্ছে, বছর তিরিশের ইমরানকে লাঠিপেটা করছেন পুলিশ কনস্টেবল। বারেবারেই ছেড়ে দেওয়ার আর্জি করলেও পুলিশ তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকেন। বাকি পুলিশকর্মীরা দাঁড়িয়ে উপস্থিত থাকলেও সেই পুলিশকর্মীকে থামাতে এগিয়ে আসেননি। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন পথচারী জিজ্ঞাসা করছেন, মারার কারণ। ভিডিও করতে থাকা ব্যক্তির জবাব, পার্কিং স্পটে সবার সঙ্গে কোলাকুলি করছিল। এঁকে আরো মারো।
অভিযুক্তের বোন রোবিনা অবশ্য জানাচ্ছেন, ভুলভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে। ও রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় পুলিশ কোনো কারণ ছাড়াই এমন অভিযোগ আনে।আমার ভাই অবশ্য ভেবেছিল লকডাউন ভাঙার কারণে ওঁকে পুলিশ ধরবে। তাই ও দৌঁড়াতে থাকে। এমনটা জানিয়ে রোবিনা আরো বলেছেন, ও দৌঁড়াতে শুরু করতেই পুলিশ চিৎকার করে বলতে থাকে ওর করোনা আছে। পুলিশের কথা শুনে অন্য লোকেরাও আক্রমণ করতে এগিয়ে আসে। আমার ভাইয়ের এমন কোনো রোগ নেই।
পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের পরেই আসরে নামেন দক্ষিণ পশ্চিম দিল্লির অতিরিক্ত ডিসিপি ইঙ্গিত প্রতাপ সিং। তিনি পরে জানান, ভিডিও থেকে আমরা পুলিশকে সনাক্ত করেছি। উনি সাগরপুর থানার কনস্টেবল। আপাতত ওঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
দিল্লির রোহিনী এলাকায় পুলিশের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ উঠেছে। ১৬ বছরের এক কিশোরকে মারার অভিযোগ উঠেছিল আগেই। একদিন পরেই সেই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ পুলিশের মারের আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আপাতত দেহ ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য