About Me

header ads

দ্বিতীয় পর্যায়ঃ ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের প্যাকেজ ঘোষণা করেন নির্মলা সীতারামন।


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ ২০ লক্ষ কোটির প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা করা সেই আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের প্রথম ধাপে ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্প, নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল সংস্থা-সহ একাধিক খাতে পুনরুজ্জীবন প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয়অর্থমন্ত্রী। তার দ্বিতীয় ধাপের প্যাকেজ ঘোষণা করেন নির্মলা সীতারামন। সঙ্গে ছিলেন অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও।
সাংবাদিক বৈঠকে প্রথমেই নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, আজ মোট ৯টি পদক্ষেপের ঘোষণা হবে। তার মধ্যে তিনটি প্যাকেজ বা পদক্ষেপ থাকবে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য।
গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী যে সব ঘোষণা করেছেন তাতে মোটামুটি ৬ লক্ষ কোটির মতো হিসেব পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তার মধ্যে আবার অর্ধেক, অর্থাৎ ৩ লক্ষ কোটির প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পুনরুজ্জীবনে।

নির্মলা সীতারামনের বক্তব্য:
এই প্রকল্পে ৩ লক্ষ ২০ হাজার পরিবার সুবিধা পাবেন
২০২০ সালের মার্চেই এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল, তার মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হচ্ছে
মিডিল ইনকাম গ্রুপের জন্য যাঁদের আয় বছরে ৬ লক্ষ থেকে ১৮ লক্ষ আয় করেন, তাঁদের জন্য ক্রেডিট লিঙ্কড সাবসিডি স্কিম ২০২১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো
এই সব শ্রমিকরা ডিজিটাল পেমেন্ট করলে আরও কিছু সুবিধা পাবেন তাঁরা
এর জন্য ৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে
হকার, ফুটপাতের দোকানদারদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে
সারা দেশে প্রায় ৫০ লক্ষ হকার আছে
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে মোরেটরিয়াম ঘোষণা করেছিল, সেই প্রকল্প
এই মুদ্রা ঋণের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ সুদ কমানো হচ্ছে, সেই টাকা বহন করবে সরকার
এতে প্রায় ৩ কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছেন
১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে
মুদ্রা-শিশু ঋণে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যায়
রাজ্যের শ্রমিকরাও সেখানে ভাড়া থাকতে পারবেন
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ পদ্ধতিতে এই বাড়িগুলি তৈরি হবে
সামান্য অর্থে সেই সব ঘরে থাকতে পারবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা
সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত অনেক আবাসনকেও এই প্রকল্পে আনা হচ্ছে 
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো যোজনায় ঘর তৈরি হবে, পরিযায়ী শ্রমিকরা সেখানে ভাড়ায় থাকতে পারবেন

প্রকল্পের নাম ওয়ান নেশন, ওয়ান রেশন কার্ড
পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত
রেশন কার্ড থাকলে দেশের যে কোনও প্রান্তে খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যাবে
এর জন্য খরচ হবে ৩৫০০ কোটি
আমাদের হিসেবে প্রায় ৮ কোটি পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছে
মাথাপিছু ৫ কেজি চাল বা গম এবং ১ কেজি ডাল পাবেন তাঁরা
যাঁদের কার্ড নেই, তাঁরাও মাথাপিছু ৫ কেজি করে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে
আগামী দুমাস বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হবে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য
মহিলাদের জন্য রাতে কাজ করতে হলে, আলাদা সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হবে
সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প প্ল্যাটফর্মে বসবাসকারীরাও পাবেন
যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করেন, তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে
শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে, বছরে এক বার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হবে
যে সব সংস্থায় ১০ জনের কম কর্মী আছে, সেগুলিতেও ইএসআই-এর আওতায় আনা হবে
ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকরা এজেন্টের মাধ্য়মে কাজে যোগ দেন
অঞ্চলভিত্তিক মজুরি আলাদা রয়েছে, সেটাও মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে
১০০ দিনের কাজে মজুরি ১৮২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২ টাকা করা হয়েছে
পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে নিজের রাজ্যে ফিরে যাতে ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্পে কাজ পান, তা দেখার জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে বলা হয়েছ
এর জন্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে
করোনা সংক্রমণের এই কমাসে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কর্মদিবস বাড়ানো হয়েছে
পরিযায়ী শ্রমিকরা অনেকেই ঘরে ফিরছেন, অনেকে ফিরছেন 
৭ হাজারেরও বেশি নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে এই করোনা সঙ্কটের সময়ে, তাঁরা সরকারি সাহায্য পেয়েছেন
এই সব স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্যের অর্থ দেওয়া হয়েছে পয়সা পোর্টালের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে
১২ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী ৩ লক্ষ মাস্ক ও ১ লক্ষ ২০ হাজার লিটার  স্যানিটাইজার তৈরি করেছে
সেখানে আশ্রয় নেওয়া মানুষজনকে তিন বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেই টাকা কেন্দ্র দিয়েছে
শহরের গৃহহীনদের জন্য শেল্টার তৈরি হয়েছে
১১ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি হয়েছে
করোনা সঙ্কটের সময়কালে শহরের গরিবদের সাহায্যের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল গঠনের কথা বলা হয়েছে রাজ্যগুলিকে
উৎপাদিত কৃষিপণ্য ক্রয়ের জন্য রাজ্যের সংস্থাগুলির জন্য ৬৭০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যা ঘুরিয়ে কৃষকদের হাতেই গিয়েছে
গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নে ৪২০০ কোটি বরাদ্দ হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর
কৃষকদের জন্য গত দুমাসে নগদের যোগান বেড়েছে
এই ঋণের ফলে গরিব কৃষকদের প্রচুর সুবিধা হয়েছে
ইতিমধ্যেই ৩ কোটি কৃষক ঋণ নিয়েছেন, এই ৩ কোটি কৃষক কৃষিঋণ নিয়েছেন ৪ লক্ষ কোটি 
তার সঙ্গে আরও অনেক কিছুই যোগ হবে
লকডাউনের সময় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা ছিল শুধুমাত্র গরিবদের কথা ভেবে 
প্রথমেই গরিব, নিম্নবিত্ত ও পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ঘোষণা
কৃষকদের জন্যও প্যাকেজের ঘোষণা থাকবে
তিনটি পদক্ষেপ পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য
মোট ৯টি পদক্ষেপের ঘোষণা হবে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য