About Me

header ads

রাজ্যের জুমিয়াদের জন্য নতুন প্রকল্প ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার!


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ মঙ্গলবার রাজ্য মন্ত্রী সভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। হার্টখোর জুমিয়াদের জন্য নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। জার নাম দেওয়া হয়েছে জুম চাষ সাহায্য প্রকল্প।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ৬ হাজার ৯৭৯ জুমিয়া পরিবারকে ১৫ মেট্রিক টন অর্থাৎ প্রতি পরিবারকে ২ কেজি ১৫০ গ্রাম করে জুমের বিজ দেওয়া হবে। এতে খরচ পড়বে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। বর্তমান সময় জুম চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর জুম চাষিদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। বিনামূল্যে বিজের সঙ্গে বপন, নিরানি এবং তোলার জন্য ২০২ টাকা করে মোট ৬ শ্রম দিবসের অর্থ একাউন্টে প্রদান করবে রাজ্য সরকার। প্রতি পরিবার ১ হাজার ২১২ টাকা করে। এর জন্য ব্যয় হবে ৮৪ লক্ষ্য ৫৮ হাজার ৫৪৮ টাকা। ১২ বছর পর জুমিয়াদের জন্য বিনামূল্যে এই বিজ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৮ তা সাব জোনাল অফিস থেকে জুমিয়া পরিবার গুলিকে বিনামূল্যে বিজ প্রদান করা হবে। মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে মন্ত্রী সভার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আইন মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
অন্যদিকে সমস্ত সরকারী, আধা সরকারী, পি.এস.ইউ গুলিতে কর্মরতদের মাস্ক পড়া বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাবলিক প্লেসেও কর্মচারীদের মাস্ক পড়া বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে। বৈঠক, অফিস কক্ষ, করিডোর এবং পাবলিক প্লেসে সরকারী, আধা সরকারী এবং পি.এস.ইউ কর্মচারীদের বাড়িতে তৈরি বা সরকার প্রদেয় মাস্ক পড়তে হবে। অন্যথায় দিতে হবে জরিমানা। প্রথম অবস্থায় নির্দেশ অমান্য করলে ১০০ টাকা, এবং পরবর্তী সময় প্রতিবারের জন্য ২০০ টাকা করে প্রদান করতে হবে। মন্ত্রীসভার বৈঠকে গৃহীত এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানান আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ।
বহিঃরাজ্যে যারা আটকে গেছে এবং রাজ্যে ফিরতে চায় তাদের কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ডিসি-কে জানানো হবে পাস ইস্যু করার জন্য। বাইরে থেকে যারা রাজ্যে আসতে চায় এখন তাদের আসার ক্ষেত্রে আর কোন সমস্যা নেই। যদি কোন ধরনের সমস্যা হয় তাহলে রাজ্যের সাথে যোগাযোগ করলে কন্ট্রোল রুমে বিষয়টি প্রেরন করা হবে। তবে যারা রাজ্যে ফিরে আসতে চায় তাদের নিজেদেরকেই গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে। রাজস্থানের কোটায় আটকে পড়া ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা মিলে রাজ্যে ফিরে আসার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করেছে। তবে তারা নিরাপত্তা চায় আসার ক্ষেত্রে। কিন্তু রাজস্থান সরকার এইভাবে নিরাপত্তা প্রদান করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী চাইলে তা ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন। বহিঃরাজ্যে আটকে পড়াদের জন্য পয়েন্ট টু পয়েন্ট ট্রেন চালু করা যায় কিনা তার প্রস্তাব জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারকাটার বাইরে ফসল কাটার বিষয়েও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে সরাসরি কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এইক্ষেত্রে সহসাই সবুজ সঙ্কেত মিলতে পারে বলে আশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ।
বেসরকারি ৪০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। টিউশান ফি, পরিবহন খরচ কমানোর জন্য তাদের কাছে আহ্বান জানানো হবে। ইতিমধ্যেই দপ্তর থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মঙ্গলবার বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রীদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী। রাজ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং নতুন কিছু পরিকল্পনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীকে অবগত করেন শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য