About Me

header ads

পুলিশও জনতার খণ্ডযুদ্ধে উতপ্ত উত্তর ত্রিপুরা জেলা!


ডেস্কও ব্যুরোঃ পুলিশও জনতার খণ্ডযুদ্ধে আহত এক পুলিশ কর্মী। লকডাউন মানা চলবে না , বাড়িতে না থেকে রাস্তায় আমরা বেরোবো । এই মনোভাব নিয়ে আসাম ত্রিপুরা সীমান্তে একাংশ যুবক যখন এখানে ওখানে বসে আড্ডা দিচ্ছিল সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে,  তখন পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে এলাকার একাংশ যুবক।
আসাম ত্রিপুরা সীমান্তের অলিগলি সড়কগুলো উত্তর ত্রিপুরা পুলিশ প্রশাসন এবং জেলাশাসকের তরফ থেকে সিল করে দেওয়া হয়েছে। তাতেই যেন একাংশ যুবকের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। সীমান্ত এলাকা গুলিতে পুলিশ এবং টিএসআর বাহিনীর টহল চলছে যাতে করে আসামের কোন মানুষ ত্রিপুরায় প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু আসামের মানুষ ক্ষুব্দ না হয়ে উল্টো ত্রিপুরা রাজ্যের বসবাসকারী সীমান্ত এলাকার একাংশ জনগণ ও ঊশৃংখল যুবক ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে পুলিশের প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
শনিবার কুর্তি মধ্য রাজনগর এলাকায় একাংশ যুবক বিনা  কারণে রাস্তায় বসে আড্ডা দিচ্ছিল । পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া করলে, কিছু উশৃংখল যুবক সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ ও টিএসআর জওয়ানদের উপর লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। তাতে সঙ্গে সঙ্গে কদমতলা থানার কনস্টেবল আঙ্কর আলী আহত হয়। সেখান থেকে তাকে কদমতলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সে আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মহাকুমার পুলিশ আধিকারিক রাজিব সুত্রধর, কদমতলা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সুব্রত দেব ,  কদমতলা আর ডি ব্লকের বিডিও কমল দেববর্মা। এলাকায়  মোতায়েন করা হয় শতাধিক টিএসআর জওয়ান। এই বিষয়ে কদমতলা থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার জানান অন্ধকারে ঢিল ছোরা হয়েছে পুলিশকে লক্ষ্য করে। এতে এক পুলিশ কর্মী আহত হয়েছে।
এইদিকে রাতেই পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আটক করার জন্য ময়দানে নামে। এবং এক যুবককে আটক করে। ধৃত যুবকের নাম রাজিবুল আলম। দক্ষিণ কদমতলার রাজিবুল আলম , বর্তমানে সে কুর্তি মধ্য রাজনগর থাকে। সেই  রাতের অন্ধকারে পুলিশকে লক্ষ্যকরে  ঢিল ছোড়ে। তার বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে ।
তবে প্রশ্নহচ্ছে পুলিশ যখন করোনাভাইরাসকে উপেক্ষা করে দিনরাত কাজ করছে সাধারণ মানুষের জন্য, তখন যদি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইট পাটকেল খেতে হয় তাহলে কিসের ভিওিতে ডিউটি করবেন তারা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য