About Me

header ads

এলাকাবাসীর হাতে আটক ড্রাগ সহ নেশা কারবারী!

ডেস্কও ব্যুরোঃ  রাজ্য জুড়ে লক ডাউন চলছে। কিন্তু এই লক ডাঊনকে উপেক্ষা করে নেশা কারবারিরা তাদের ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে সাধারন জনতার হাতে ধরা পড়ছে নেশা কারবারীরা। এরই মধ্যে শনিবার চার নেশাকারবারী TR-01G-3922 নাম্বারের একটি গাড়ি নিয়ে রাজধানীর অভয়নগর হিন্দিস্কুল সংলগ্ন এলাকায় আসে। তাদের দেখে এলাকাবাসীদের সন্দেহ হয়। তখন এলাকাবাসীরা তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ব্রাউন সুগারের কৌটা সহ নেশা সামগ্রী সেবনের সরঞ্জাম। তখন স্থানীরা খবর দেয় পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশকে।

ঘটনার খবর পেয়ে পূর্ব আগরতলা থানার এসআই কিংকর সাহা পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। জনতার হাতে ধৃত চার ব্যক্তিকে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়ে নেয়। কিন্তু তারপরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যান এসআই কিংকর সাহা। আশ্চর্য জনক ভাবে পুকুর চুরির ন্যায় তিনি সংবাদ প্রতিনিধিদের জানান ধৃত চার জন লক ডাউন না মেনে বাড়ী থেকে বেরিয়েছে, তাদেরকে জনগণ আটক করেছে। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ধৃতদের থানায় নিয়ে এসেছেন। যাতে কোন ধরনের অপরাধ না হয়। ধৃতদের কাছ থেকে কোন ধরনের নেশা সামগ্রী উদ্ধার হয়নি। সংবাদ প্রতিনিধিরা তখন কিংকর সাহাকে ফের প্রশ্নকরে ধৃতদের কাছ থেকে নেশা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, তার ভিডিও ফুটেজ সংবাদ প্রতিনিধিদের ক্যামেরায় রয়েছে। তারপরও এসআই কিংকর সাহা বলছেন ধৃতদের কাছ থেকে কোন নেশা সামগ্রী উদ্ধার হয়নি। তিনি কোন নেশা সামগ্রী দেখতে পান নি। 
 
প্রশ্ন হচ্ছে এসআই কিংকর সাহা কি সত্যি নেশা সামগ্রী প্রত্যক্ষ করেন নি? যদি নাই দেখে থাকেন তাহলে তো বলতেই হয় চোখ থাকতে অন্ধের জলন্ত উদাহরণ এসআই কিংকর সাহা। ধৃতদের ঘটনাস্থল থেকে পূর্ব আগরতলা থানায় নিয়ে আশা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নেশা সামগ্রী কোথায় গিয়েছে। তাহলে কি দিন দুপুরে পুকুর চুরি হয়ে গেল জন সমক্ষে? দাবি উঠছে আরক্ষা দপ্তর এই বিষয়টির প্রতি নজর দিক। কারন জনসমক্ষে উদ্ধার হওয়া নেশা সামগ্রীর কথা একজন পুলিশের এসআই যদি অস্বীকার করেন, তাহলে নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়া কঠিন কাজ হয়ে যাবে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ