About Me

header ads

ভারতে লকডাউন আংশিক শিথিল: জানুন, কী খোলা থাকছে, কী বন্ধ থাকছে?


ডেস্কও ওয়েব ডেস্কঃ লকডাউনের ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ। ফলে ধাক্কা খাচ্ছে অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে শর্তসাপেক্ষে দোকান খোলার অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে শপিং মল বন্ধ থাকবে বলেই জানানো হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকা জারি করে এই ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,মাস্ক ও পারস্পরিক দূরত্ব মেনে বসতী ও বাজার এলাকায় দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শপিং মল ও কোভিড ১৯ হটস্পট এলাকায় দোকান বন্ধ থাকবে।কেন্দ্রীয় এই ছাড়ে কিছুটা স্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা। তবে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিত্তিতে রাজ্যগুলিই স্থির করবে কোন এলাকায় কিসের দোকান খোলা হবে। আসাম জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্দেশ তারা বলবৎ করবে না। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে দোকানের মোট কর্মীর ৫০ শতাংশ কাজে যোগ দিতে পারবেন ও মাস্ক-পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যিক। আগামী ৩রা মে পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন চলবে।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী কী খোলা থাকছে, কী বন্ধ থাকছে?

লকডাউনে খোলা থাকছে..
শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় থাকা সব দোকানই খোলা যাবে। যে কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে বা মার্কেট কমপ্লেক্সে থাকা দোকানও খুলবে। তবে, পুর এলাকায় কোনও কমপ্লেক্সের দোকান খুলবে না।
গ্রামে বা মফস্বলে শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় রেজিস্টারড হলেই দোকান খোলা রাখা যাবে। শহরে, যেখানে দোকান কম বা রেসিডেন্সিয়াল এলাকা- সেখানে দোকান খোলা থাকবে।
সেলুন, সালোঁ খোলা খোলা যেতে পারে। কিন্তু, বাজার এলাকায় হলে তা খোলা যাবে না।
বসতী এলাকায় দর্জির দোকান খোলা যাবে।
পুর এলাকার বাইরের রেজিস্টারড বাজারগুলোর দোকানে ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করতে পারবেন।
অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন সব জিনিসের দোকান খোলা যাবে। তবে, সেগুলোকে সিঙ্গল দোকান হতে হবে।
পুর এলাকার বাইরে মার্কেট কংপ্লেক্স খোলা থাকবে।

লকডাউনেবন্ধ থাকছে
আন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যাত্রী উড়ান।
সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেন, বাস পরিষেবা।
চিকিৎসা জনিত কারণ ছাড়া আন্তঃরাজ্য চলাচল।
সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
ছাড়ের আওতায় না থাকা শিল্প-বাণিজ্য ও পরিষেবামূলক কার্যক্রম।
ট্যাক্সি (অটো ও সাইকেল রিকশা সহ), ক্যাব
শপিং মল, সিনেমা হল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, সুইমিং পুল, বিনোদন পার্ক, বার, মদের দোকান, প্রার্থনা সভা।
নিত্য প্রয়োজনীয় নয় এমন সব জিনিস ই-কমার্সের মাধ্যমে কেনা যাবে না
সব ধরনের সামাজিক-রাজনৈতিক-ক্রীড়া-বিনোদন-সংস্কৃতিক আয়োজন ও ধর্মীয় জমায়েত
ধর্মীয় স্থান বন্ধ থাকবে। প্রার্থনার জন্য জমায়েত করা যাবে না।
শেষ কৃত্যে ২০ জনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা

এর আগেও পার্যায়ক্রমে একাধিক অর্থনৈতিক কাজে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। কৃষির সঙ্গে যুক্ত একাধিক কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বেকারি, বইয়ের দোকান, ফ্যানের দোকান প্রভৃতিকে ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য