About Me

header ads

করোনা প্রস্তুতি খাতিয়ে দেখতে জিবিতে মুখ্যমন্ত্রী!

ডেস্কও ব্যুরোঃ রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল এজিএমসি। সেই হাঁসপাতালের স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিষেবা খতিয়ে দেখতে যান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। একই সঙ্গে করোনা সংক্রমণ নিয়ে  কোন রোগী এলে তাদের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের বিষয়টিও খতিয়ে দেখেন তিনি। স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসকদের সঙ্গে পৃথকভাবে পর্যালোচনা বৈঠক করেন। প্রত্যেকের মতামত গুরুত্বসহকারে শুনেন তিনি। একই সঙ্গে বেশকিছু পরামর্শও দেন। কি কি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী লাগবে সেই বিষয়ে অবগত হন।

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন এখনো পর্যন্ত রাজ্যে কোন করোনা সংক্রমণের খবর নেই। তবে পজেটিভ কোন রোগী এলে কিভাবে তাকে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে সেই বিষয়ে একটি মহড়া করা হয়। তা স্বশরীরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। জিবি হাঁসপাতালের একটি ব্লক এই ক্ষেত্রে চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাতে আইসিইউ ব্যাড রয়েছে। কোন পজেটিভ রোগী আসলে চিকিৎসকরা কোথায় থাকবে তার বন্দোবস্ত খতিয়ে দেখেন। স্বাস্থ্য কর্মীদের থাকার বিষয়টি দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।

একটি দল গঠন করা হয়েছে। ৭ দিন পর পর এই দল পরিবর্তিত হবে। যারা আগের ৭ দিন কাজ করেছে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে পর্যবেক্ষণের জন্য। এই ব্যবস্থা রাজধানীর আইজিএম হাসপাতালেও করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ৫০ শয্যার ব্যবস্থার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। যে সামগ্রী রয়েছে তাকে সুচারু ভাবে সমস্ত স্বাস্থ্য কর্মী,চিকিৎসক, স্বাস্থ্য সচিব, এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তারা মিলে প্রধানমন্ত্রীর দেশ বাসীর প্রতি যে আবেদন রয়েছে তাকে মান্যতা দেবে বলে আশা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। 

করোনা রোগীর সন্ধান মিলেনি বলে খুশিতে সমস্ত সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা উলঙ্ঘন যাতে কেউ না করে তার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির নিজাম উদ্দিন ধর্মসভায় অংশনীয়ে যারা রাজ্যে এসেছেন তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ৫২ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। সমস্ত পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তার পরেও তাদের কোয়ারেণ্টাইনে রাখা হয়েছে। অনেকের ১২-১৩ দিন হয়েগেছে। দুই দিন পর আবার দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হবে।

তিনি আরও বলেন যে, যদি কেউ বহিঃরাজ্য থেকে এসে তা প্রকাশ্যে না আনলে ধরে নিতে হবে সে রাষ্ট্র, দেশ, রাজ্য এবং মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করছে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।করোনা মোকাবেলায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর প্রদেয় বার্তা কঠোর ভাবে  মেনে চলার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। কোন ধরনের আর্ত তুষ্টিতে না ভুগে সকলকে এই লক ডাউন ও তৎসঙ্গে নির্দেশিকা মেনে করোনা মুক্ত ত্রিপুরা রাখার আহ্বান জানান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য