About Me

header ads

একের পর এক চুরির ঘটনায় ভীতিগ্রস্থ উত্তর জেলা!

নিশিকুটুম্বদের উৎপাতে অতিষ্ঠ জনগণ। বসতবাড়ি থেকে শুরু করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও বাদ যাচ্ছেনা নিশিকুটুম্বদের হাত থেকে। তেমনি রবিবার গভীর রাতে প্রেমতলা জগন্নাথ বাড়িতে হাত সাফাই  করে চোরের দল। যদিও জগন্নাথ বাড়ির সুরধ্বনি বৈষ্ণবী মন্দিরে না থাকায় চুরি সামগ্রীর পরিমাণ  বলতে পারেনি মন্দির কর্তৃপক্ষ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় উত্তর জেলার চুরাইবারি থানাধীন প্রেমতলা জগন্নাথ বাড়ির বৈষ্ণবী সুরধ্বনি উনার অসুস্থ ভাইকে দেখতে রবিবার কাঞ্চনপুর যান। তাই জগন্নাথ প্রভুর মন্দিরের চাবি সহ তার শোবার ঘরের চাবিটি পাশের বাড়ির রুনুবালা কর নামে এক মহিলার কাছে দিয়ে যান। সোমবার  সকালবেলা পাশের বাড়ির মহিলা রুনু বালা কর জগন্নাথ মন্দিরের ইলেকট্রিক লাইট বন্ধ করার জন্য মন্দিরে গেলে দেখতে পান সুরধ্বনি বৈষ্ণবীর শোবার ঘরের দরজা খোলা। তখন  ওই মহিলা মন্দির কমিটি ও আশপাশের জনগণকে খবর দেন। মন্দির কমিটি ও আশপাশের জনগণ মন্দিরে এসে দেখতে পান বৈষ্ণবীর শোবার ঘরের দরজার তালা ভাঙ্গা। ঘরের সব কিছু এলোমেলো। বৈষ্ণবীর দুটি ট্রাঙ্ক ঘর থেকে নিয়ে পুকুর পারে এলোমেলো অবস্থায় ফেলে রাখা। খবর দেওয়া হয় চুড়াইবাড়ি থানাকে। জানানো হয় সুরধ্বনি বৈষ্ণবীকেও।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চুড়াইবাড়ি থানার এএসআই বিষ্ণুপদ ঘোষ ও চুরাইবারি থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সরেজমিন তদন্ত করে একটি চুরির মামলা হাতে নেয়। এমনকি এ এসআই বিষ্ণুপদ ঘোষ তার পকেট থেকে টাকা দিয়ে একটি তালা কিনে বৈষ্ণবী ঘরের দরজা লাগান। সুরধ্বনি বৈষ্ণবী মন্দিরে না থাকাতে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ এখনো জানতে পারেনি যে, সোনা রুপা ও নগদ কত টাকা চুরি হয়েছে। তবে জগনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি সুরধ্বনি বৈষ্ণবীর শোবার ঘরে হাজার তিনেক নগদ অর্থ থাকার কথা। তাছাড়া প্রভু জগন্নাথের মাথার রুপার চুরা রয়েছে বৈষ্ণবীর শোবার ঘরে।

এদিকে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানান সুরধ্বনি বৈষ্ণবীকে খবর দেওয়া হয়েছে।  তিনি মন্দিরে আসলে  তাকে  জিজ্ঞেস করে নগদ অর্থ সোনা ও রুপা কতটুকু চোরের দল নিয়ে গেছে তা লিখিতভাবে পুলিশকে জানানো হবে। তবে গৃহস্থের ঘর,কালী মন্দির ও মসজিদের পর এবার ঐতিহ্য বহুল প্রেমতলা জগন্নাথ বাড়িতে চোরের হানা দেওয়ার খবর চাউর হতেই জনমনে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

Post a Comment

0 Comments