About Me

header ads

তথাকথিত শিক্ষক নেতারা ১০,৩২৩ জন শিক্ষককে বিভ্রান্ত করছে: মুখ্যমন্ত্রী

বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যের মুল অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র ভবনে। প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ, রাজস্বমন্ত্রী এনসি দেববর্মা, রাজ্যের মুখ্য সচিব ইউ ভেঙ্কটশ্বরলু, ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ডঃ ভবতোষ সাহা, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ অরুনোদয় সাহা সহ অন্যান্যরা। 

এইদিনের অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এডহক ভিত্তিতে কর্মরত ১০৩২৩ জন শিক্ষকদের তথাকথিত নেতাদের এক হাত নেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন সম্প্রতি ১০৩২৩ জন শিক্ষকের নেতারা হুলিয়া জারি করেছে ১৪ তারিখ তাদের সাথে দেখা করতে হবে। তারা ডেপুটেশান প্রদান করবে। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সাথে দেখা না করলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। তারা আগাম সময়ও নেয়নি। কোন ধরনের যোগাযোগও করেনি। তারা জানে না ১৪ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরায় থাকবে কি থাকবে না। এই তথাকথিত শিক্ষক নেতারা ১০৩২৩ জন শিক্ষককে বিভ্রান্ত করছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ১০,৩২৩ জন শিক্ষকদের জন্য পূর্বতন সরকার যা করতে পারেনি বর্তমান সরকার তা করেছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন প্রথমে হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ১০৩২৩ জন শিক্ষকের চাকুরি গিয়েছে। কিন্তু রাজ্যের নয়া সরকার কেন্দ্রিয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সাথে কথা বলেছে এই শিক্ষকদের বিষয় নিয়ে। সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়ে তাদের চাকুরির সময় সিমা দুই বছর বৃদ্ধি করেছে।বর্তমান সরকার গুনগত শিক্ষার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে চাইছে। স্বচ্ছ নিয়োগ নিতি তৈরি করেছে বর্তমান সরকার। নয়া সরকার প্রতিষ্ঠার পর টেটে-র মাধ্যমে যারা চাকুরি পেয়েছে, তাদের নিয়োগ হয়েছে স্বচ্ছতার সাথে। কেউ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিমকোর্টে যেতে পারবে না বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।

তিনি আরও বলেন সরকার চালানো পুতুল খেলা নয় এই দিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ছাড়াও আলোচনা করেন শিক্ষামন্ত্রী, রাজস্ব মন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানে এইদিন সমগ্র রাজ্যের মোট ৩১ জন কৃতি শিক্ষককে সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তাদের হাতে ট্রফি তুলে দেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্যালয় সহ মোট ১১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরুস্কৃত করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকাদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনিয়।

Post a Comment

0 Comments