About Me

header ads

আবারো কদমতলা থানা এলাকায় চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য!

বুধবার সন্ধ্যারাতে জেলার পুলিশ সুপার ও নর্দান  ডিআইবির সফরের আধঘণ্টার মধ্যেই জেলার প্রশাসনকে করা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবারও চুরি কান্ড সংগঠিত করল চুরের দল। এই নিয়ে পরপর কদমতলা থানা এলাকায় চার-পাঁচটি চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বিগত এক সপ্তাহের মধ্যে।

পুলিশ সুপারের কদমতলা সফরের আধঘণ্টার মধ্যেই থানার নাকের ডগায় চুরি সংঘটিত করেছে চোরের দল। সেখানে প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। কদমতলা থানা থেকে মাত্র একশো মিটার দূরত্বে সন্ধ্যা রাতেই একটি বাড়িতে হানা দেয় চুরের দল। অবশ্য বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসীরা ঘিরে ধরলে চোর পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ততটা না হলেও পুলিশকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এই ঘটনা।

বুধবার ছিল দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা পূজা। তাই কদমতলা কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা তপন কুমার কুমার দাসের স্ত্রী ও মেয়ে ঘরে তালা দিয়ে বাজারে বেরোয় সন্ধ্যা ছটা নাগাদ। এরইমধ্যে চোরের দল বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তপন কুমার দাস এর স্ত্রী ও মেয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখতে পায় ঘরের মূল ফটকের তালা ভাঙ্গা। তখন ঐ চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করতেই আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরই ফাঁকে চোর পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অবশ্য বেশি কিছু নিয়ে যেতে পারেনি। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ছুটে আসে ঘটনাস্থলে।

এদিকে আরো চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হিসেবে এলাকাবাসীরা জানান, পুলিশ চোরের টিকির নাগালও পাচ্ছে না। তাছাড়া চোর ধরার কোন প্রয়াসই নেই পুলিশের কাছে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ মানুষ। তাছাড়া সবচেয়ে অবাক  হওয়ার বিষয় মাত্র আধ ঘন্টা পূর্বে জেলার পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী এবং ডিআইজি সৌমিত্র ধর কদমতলা ও চুরাইবাড়ি এলাকা পরিদর্শন করে যান। আর এর আধঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাতসাফাই করে চোরের দল।

Post a Comment

0 Comments