About Me

header ads

ত্রিপুরায় ৮৮ জন এনএলএফটি বিদ্রোহী সদস্যের আত্মসমর্পণ!

নেশনেল লিবারেশন ফ্রন্ট অব ত্রিপুরা (এন এল এফ টি)র মোট ৮৮ জন বিদ্রোহী সদয় আজ শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ করেন। সমস্ত অস্ত্র প্রদান করে সমাজের মুল স্রোতে ফিরে আসতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাঁরা। তাঁদের এই ফিরে আসাকে ত্রিপুরা সরকার স্বাগত জানিয়েছে।

সবির কুমার দেব বর্মার নেতৃত্বে এনএলএফটি বিদ্ৰোহী সদস্যের দলটি ত্রিপুরার ঢালাই জেলার আমবাসা উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মুক্ত প্রাঙ্গনে আত্মসমর্পণ করেন।

বিদ্রোহীদের জমা দেয়া অস্ত্র-শস্ত্রের মধ্যে ছিল, ৩ টি কার্বাইনস, ১টি মর্টার, ১ টি বন্দুক,৬টি ৭.৬২ এমএম এসএলআরএস, ৪টি চাইনিজ রাইফেল, ১ টি সিংগেল বোরগান, ১৯ ৩০৩ রাইফেল, ৪টি এম২০ পিস্তল, ৯টি ওয়ারলেস সেট, সেইসঙ্গে বহু পরিমাণে আপত্তিজনক প্রমাণ পত্র।
বিদ্ৰোহী সংগঠনের সদস্যরা অস্ত্ৰ জমা দেবার পর-পরই ১৩ আগস্ট কেন্দ্র সরকার এনএলএফটি-র সঙ্গে একটি মিমাংসা চুক্তি স্বাক্ষর করে।

এদিন অনুষ্ঠানে বিপ্লব কুমার দেব বলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মোদীর সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস শ্লোগানের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে জনজাতী লোকেরা উগ্রপন্থা পরিত্যাগ করে মূল স্রোতে ফিরে আসছেন।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বলেছে, “আমি এন এল এফ টি সদস্যদের, যারা হিংসা পরিত্যাগ করে সংবিধান নির্দেশিত পথে চলতে প্রতিজ্ঞ হয়ে আজ আত্মসমর্পণ করলেন, তাদের স্বাগত জানাই। সরকার পুনর্বাসনের নীতি অনুযায়ী তাদের নতুন জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং সমাজের মূলস্রোতে মিশে যেতে সহায়তা করবে”।

উল্লেখযোগ্য যে, এনএলএফটি ত্রিপুরাতে ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল, মোট ১০ বছরে সংঘটিত হওয়া ৩১৭ টি নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।

ঘটনায় ১৮ জন নিরাপত্তারক্ষীর পাশাপাশি ৬২ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।
বিদ্রোহী সদস্যের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপ-মুখ্য মন্ত্ৰী জিষ্ণু দেববৰ্মন এবং সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা।

Post a Comment

0 Comments