About Me

header ads

রাজ্য জুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মাদার টেরিজার ১০৯ তম জন্মবার্ষিকী পালিত!

'মা'- যাকে আমরা সবচেয়ে কাছের মানুষ বলে জানি, যাকে আমরা সব কথা বলতে পারি। 'মা' শব্দটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে পরম মমতাময়ী একজন মানুষ। যিনি সবার উর্ধ্বে বিরাজ করেন। প্রকৃত মা বলতে যাকে বোঝায় তিনি হলেন আমাদের সবার প্রিয় 'মাদার টেরিজা'। দার অ্যাগনেস টেরিজা বা মাদার টেরিজা।

২৬ অগাষ্ট , সোমবার  ছিল তাঁর ১০৯ তম জন্মবার্ষিকী। সেই  উপলক্ষ্যে তাঁকে স্মরণ করার জন্য অনেক জায়গাই সেজে উঠে।  ১৯১০ সালের ২৬ অগাষ্ট ম্যাসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপ্জে-তে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি তাঁর পিতাকে হারান। এরপর, তাঁর মা তাঁকে রোমান ক্যাথলিক আদর্শে লালন-পালন করেন। ১২ বছর বয়সেই তিনি ধর্মীয় সন্ন্যাস জীবন যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। ১৮ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করেন। এরপর, একজন ধর্মপ্রচারক হিসেবে যোগ দেন সিস্টার্স অফ লরেটো সংস্থায়। তিনি প্রথমে আয়ারল্যান্ডের রথফার্নহ্যামে লরেটো অ্যাবেতে ইংরেজি ভাষা শিখতে যান। কারণ এই ভাষাই ছিল ভারতে সিস্টার্স অফ লরেটোর শিক্ষার মাধ্যম।

১৯২৯ সালে ভারতে এসে দার্জিলিঙে নব দীক্ষিত হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৩১ সালের ২৪ মে তিনি সন্ন্যাসিনী হিসেবে প্রথম শপথ গ্রহণ করেন। এই সময় তিনি ধর্মপ্রচারকদের পৃষ্ঠপোষক সন্ত Thérèse de Lisieux -এর নামানুসারে 'টেরিজা' নাম গ্রহণ করেন।  মানুষের সেবা করার জন্য সারাজীবনের মতো নিজেকে বদলে ফেলেন তিনি। এসময়ই ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করে বস্তি এলাকায় কাজ শুরু করেন।   ১৯৭৯ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। ১৯৮০ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার 'ভারতরত্ন' পুরস্কার পান। এছাড়াও তিনি আরও অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর অনেক বছর পর তাঁর কাজের জন্য ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস আমাদের সকলের প্রিয় মাদার টেরেজাকে 'সন্ত' হিসাবে ভূষিত করেন। বহুদিন শারীরিক অসুস্থ থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি দেহত্যাগ করেন।

কলকাতা সহ সারা ভারতে ও সারা বিশ্বে মানুষের প্রতি তাঁর যে অবদান তিনি রেখে গেছেন তা ভোলার নয়। এদিন আগরতলা কুঞ্চবন স্থিত মিশনারি অফ চ্যারেটিজে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাদার টেরিজার ১০৯ তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। সকালে হয় বিশেষ প্রার্থনা সভা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য