About Me

header ads

ত্রিপুরা বিধানসভায় আইপিএফটি-র আলাদা আসনের আর্জি!

বিধানসভায় আলাদা আসনের আর্জি আইপিএফটি-র। আইপিএফটি-তে বড়সড় ভাঙনের আশঙ্কায় বিধানসভায় আলাদা বসার জায়গা চেয়ে অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন দলের সভাপতি তথা রাজস্বমন্ত্রী এনসি দেববর্মা।

সূত্রের খবর, আইপিএফটি-র কয়েকজন বিধায়ক ক্রমাগত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। এমনিতেই ত্রিপুরায় বিভিন্ন স্থানে আইপিএফটি ভেঙে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। কারণ দলে দলে সমর্থকরা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।

দিন পাঁচেক আগে ত্রিপুরা বিধানসভার অধ্যক্ষ রেবতিমোহন দাসের কাছে আইপিএফটি সভাপতি তথা রাজস্বমন্ত্রী চিঠি দিয়ে বিধানসভায় আলাদা বসার আসন বরাদ্দ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বর্তমানে বিজেপি-আইপিএফটি জোটবদ্ধ হয়ে বিধানসভায় আসন পেয়েছে। তাতে বিজেপি এবং আইপিএফটি সদস্যদের আলাদা বসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাছাড়া, জোট সরকারের প্রথা অনুযায়ী বিধানসভায় আসন বরাদ্দ করা হয়েছে দুই দলের সদস্যদের।

খবর এও, বিধানসভার অধ্যক্ষ ওই চিঠি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি প্রদেশ সভাপতি বিপ্লবকুমার দেবের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ দলগতভাবেও এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এখন আইপিএফটি বিধানসভায় বিজেপির সঙ্গে বসতে চাইছে না। আলাদাভাবে তাদের ৮ জন সদস্য বসতে চাইছেন বলে জানা গিয়েছে।

কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পেছনেও নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে বলে দাবি বিশিষ্ট মহলের। আইপিএফটি-র কয়েকজন বিধায়ক ক্রমাগত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়িয়ে তারা বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিধায়ক একত্রিত হচ্ছেন না, তাই আইপিএফটি-র বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দিতে পারছেন না।

খবর রয়েছে, বিধায়কদের গতিবিধি সম্পর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। কিন্তু দলবিরোধী কাজের জন্য তাদের বহিষ্কার করতে পারছে না আইপিএফটি। তাই বিকল্প পন্থা হিসেবে বিধানসভায় আলাদাভাবে বসার মাধ্যমে বিধায়কদের উপর চাপ তৈরি করতে চাইছে আইপিএফটি, মনে করছে রাজনীতিবিদরা।

Post a Comment

0 Comments