About Me

header ads

অযোধ্যা বিতর্কে মধ্যস্থতার রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত!

অযোধ্যা বিতর্কিত জমি মামলায় মধ্যস্থতার অবস্থা কোন পর্যায়ে রয়েছে তা জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ক রিপোর্ট আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। বিচারপতি এফএম ইব্রাহিম কলিফুল্লার নেতৃত্বাধীন এই মধ্যস্থতাকারী প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশংকর এবং বরিষ্ঠ আইনজীবী শ্রীরাম পঞ্চু।

শীর্ষ আদালত একই সঙ্গে জানিয়েছে, যদি এই রিপোর্ট পাওয়ার পর দেখা যায় যে মধ্যস্থতা চালিয়ে কোনও লাভ নেই এবং মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়, তাহলে আগামী ২৫ জুলাই থেকে এই মামলার দৈনন্দিন শুনানি শুরু হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্ট ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার যে রায় দিয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এই শুনানি হবে।

আদালতে অযোধ্যা মামলার প্রথম বাদীদের অন্যতম গোপাল সিং বিশারদের পুত্র রাজেন্দ্র সিংয়ের করা আবেদনের শুনানি চলছিল। এই মামলা প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এস এ বোবডে, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি আব্দুল নাজিরের বেঞ্চে তালিকাভুক্ত।

গোপাল সিং বিশারদের দাবি মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় তেমন ভাবে এগোয়নি এবং এই প্রক্রিয়া সমাপ্ত করার কথাই চলছে, যাতে ফের আবেদনের উপর শুনানি শুরু করা যায়।

বিশারদ মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার বদলে উচ্চতম আদালতে এই মামলার শুনানি চান। গোপাল সিংয়ের আইনজীবী কে এস পরাশরন বেঞ্চের কাছে মধ্যস্থতা কমিটির রিপোর্ট চান। রামলালা বিরাজমনের আইনজীবীও এই আবেদন সমর্থন করে যত দ্রুত সম্ভব শুনানির কথা বলেন।

পরাশরন বেঞ্চকে বলেন “এ ধরনের বিতর্কের মীমাংসা করা কঠিন”। এর পরেই বেঞ্চ মধ্যস্থতাকারী কমিটির রিপোর্ট চেয়ে পাঠান। আদালত বলে, “আমরা মধ্যস্থতাকারী প্যানেল বানিয়েছি। ওই প্যানেলের রিপোর্ট আমরা দেখব। মধ্যস্থতাকারীদের রিপোর্ট আসুক।”

বরিষ্ঠ আইনজীবী রাজীব ধাওয়ান এই আবেদনের বিরোধিতা করেন। এর আগে হাইকোর্ট রাম জন্মভূমি- বাবরি মসজিদের বিতর্কিত ২.৭ একর জমি তিনটি সংস্থার মধ্যে সমানভাবে বাঁটোয়ারা করে দিতে চেয়েছিল। এই তিনটি সংস্থা হল রাম লালা বিরাজমন, নির্মোহী আখড়া এবং সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।

অযোধ্যার বাসিন্দা গোপাল সিং বিশারদ ১৯৫০ সালে ফৈজাবাদের সিভিল বিচারপতির কাছে দাবি করেন তাঁকে পূজার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে রাজ্য সরকার এবং তাঁকে তাঁর আরাধ্য প্রতিমার কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

গত ৮ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট এই বিতর্কের সমাধানে মধ্যস্থতা করার জন্য একটি প্যানেল গঠন করে। অবসরপ্রপাত বিচারপতি কলিফুল্লাকে এই প্যানেলের শীর্ষে রাখা হয়।

Post a Comment

0 Comments