About Me

header ads

ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই ভারতে, বলল মার্কিন রিপোর্ট: প্রতিবাদে বিদেশমন্ত্রক!

ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে ভারত সম্পর্কিত যে রিপোর্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হয়েছে তা উড়িয়ে দিল দেশের বিদেশমন্ত্রক। ভারতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এ দেশ নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে গর্বিত এবং সহিষ্ণুতা  অন্তর্ভুক্তির ব্য়াপারে দায়বদ্ধ। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে এ খবর জানানো হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত রিপোর্ট প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, “ভারত নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষতার শংসা নিয়ে গর্বিত। বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং বহুত্ববাদী সমাজের যে অবস্থান ভারতের রয়েছে, এবং তার সঙ্গে সহিষ্ণুতা এবং অন্তর্ভুক্তির যে দীর্ঘমেয়াদি দায়বদ্ধতা রয়েছে, ভারতের অহংকৃত তা নিয়েও।”

ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে বিদেশের কোনও সংস্থার মন্তব্য় করার অধিকার সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে বলা হয়েছে, “ভারতীয় সংবিধান সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায় সহ দেশের সকল নাগরিককে মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। আমাদের দেশের নাগরিকদের সংবিধানের দ্বারা সুরক্ষিত অধিকার সম্পর্কে বিদেশি কোনও সংস্থার মন্তব্য় করার কোনও অধিকার আমি দেখছি না।”

মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর শুক্রবার ২০১৮ সালের বার্ষিক আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে হিংস্র উগ্রপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীদের দ্বারা সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায়ের, বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ ২০১৮ সালেও চলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে,  “সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার ইতিহাস আক্রান্ত হচ্ছে।”

“হিন্দু সংখ্য়াগরিষ্ঠের পার্টি বিজেপির কিছু বরিষ্ঠ আধিকারিক সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে উত্তেজক ভাষণ দিয়েছেন। গোমাংসের জন্য় গো হত্য়ার গুজবকে কেন্দ্র করে উগ্র হিংস্র হিন্দু গোষ্ঠীর সংখ্য়ালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে মুসলিমদের উপর আক্রমণের ঘটনা এ বছর ক্রমবর্ধমান।”

শনিবার এ রিপোর্ট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে বিজেপির মধ্য়ে। তারা বলেছে, মোদী সরকার এবং বিজেপি বিরোধী পক্ষপাতদুষ্টতা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

বিজেপির জাতীয় মিডিয়া প্রধান অনিল বালুনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “এ রিপোর্টে যে সংখ্য়ালঘু বিরোধী সন্ত্রাসের কথা বলা হয়েছে তা অসত্য়। এ ধরনের ঘটনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে এগুলি স্থানীয় ঝামেলার ঘটনা এবং অপরাধী মানসিকতার প্রতিফলন। যখনই প্রয়োজন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অন্য় বিজেপি নেতারা সংখ্য়ালঘু এবং সমাজের দুর্বলতর শ্রেণির উপর হিংসার ঘটনার নিন্দা করেছেন।”

Post a Comment

0 Comments