About Me

header ads

ডাক্তার নিগ্রহে ১০ বছরের জেল, ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা, প্রস্তাব খসড়া আইনে!

কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে চিকিৎসক নিগ্রহ ঘিরে বিগত এক সপ্তাহ উত্তাল ছিল বাংলা। রাজ্যের সমস্ত সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতিতে কার্যত স্তব্ধ ছিল স্বাস্থ্য পরিষেবা। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের ইতিবাচক বৈঠকের পর মঙ্গলবার সকাল থেকে স্বাভাবিক হল পরিষেবা। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশানের তৈরি চিকিৎসক সুরক্ষা আইনের এক খসড়া মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠান।
 
২০১৭-এর স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যব্যক্তি সুরক্ষা প্রস্তাবিত আইন বলে চিকিৎসক নিগ্রহের মতো ঘটনায় শাস্তি হিসেবে অপরাধীর ১০ বছরের জেল এবং ৫ লক্ষ টাকার জরিমানা। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশান ২০১৭ সালেই এই খসড়া আইন জমা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকে। এনআরএসকাণ্ডের জেরে নতুন করে আলোচনায় আসল এই খসড়া আইন।

প্রস্তাবিত আইন শুধু মাত্র হাসপাতাল চত্বর, এবং হাসপাতাল সংলগ্ন ৫০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রোগীর বাড়ি গিয়ে ভিজিটের জন্যেও এই আইন লাগু হওয়ার দাবি উঠেছে। খসড়া আইন অনুযায়ী চিকিৎসক নিগ্রহের অপরাধে জামিন অযোগ্য ধারায় সাজা হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নিগ্রহের সময়ে অপরাধী কোনো সম্পত্তি নষ্ট করলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে অপরাধীকে সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্য দিতে হবে।

আইএমএ সভাপতি ডঃ কেকে আগরওয়াল জানিয়েছেন, “যখন এই আইনের খসড়া তৈরি হয়েছিল, দেশের অনেক রাজ্যেই এ ধরণের আইন চালু ছিল। কোনও কনুঅ রাজ্য অর্ডিন্যান্স জারি করেছিল। কেন্দ্র থেকে আমাদের জানানো হয়, স্বাস্থ্য পরিষেবা রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় একমাত্র বেশ কিছু রাজ্য কেন্দ্রকে চিঠি দিলে তবেই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় আইন তৈরি হতে পারে। কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছিল ভারতীয় দণ্ডবিধিতে চিকিৎসক নিগ্রহের একাধিক শাস্তি রয়েছে। তবে আমাদের দাবি ছিল চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ আইন তৈরি হোক। একজন চিকিৎসক নিগৃহীত হয়ে পরিষেবা বন্ধ করে দিলে কয়েক’শ রোগী ভুক্তভোগী হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য