About Me

header ads

আলোচনা চায় হুরিয়ত, জানালেন কাশ্মীরের রাজ্যপাল!

নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রীসভার দুই মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলার এটাই প্রকৃষ্ট সময়। রাজ্যপাল বলেন, “আমি যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম, সেই সময়ের চেয়ে পরিস্থিতি এখন অনেক ভাল। তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাশোয়ান কথা বলতে চাইলেও হুরিয়তের নেতারা দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তাঁরাই আলোচনায় আগ্রহী।”

শ্রীনগরে দুরদর্শনের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল। সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর এবং জীতেন্দ্র সিংহও ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকারে হুরিয়ত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান মিরওয়াজ উমর ফারুক জানিয়েছেন, তাঁরা কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-র বিপুল জয়ের প্রেক্ষিতে তাঁর মন্তব্য, “এই বিপুল জনাদেশ পাওয়ার পর উপত্যকায় রাজনাতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং হিংসার অবসানকল্পে সদর্থক পদক্ষেপ করা কেন্দ্রের দায়বদ্ধতা। আমরা কখনই রাজনাতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাব না। যদি কেন্দ্র আন্তরিক ভাবে তা চায়, আমরাও সদর্থক সাড়া দেব।”

গত শুক্রবার রমজানের নমাজের শেষে শ্রীনগরের জামিয়া মসজিদের জমায়েত হওয়া কাশ্মীরিদের উদ্দেশে মিরওয়াজ বলেছিলেন, “ভারতের জনতা বিপুল ভোটে নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছে। এই বিপুল জনসমর্থন প্রধানমন্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা কাশ্মীর বিবাদের সঠিক মীমাংসার সুযোগ করে দিয়েছে। মিরওয়াজ দাবি করেন, কেবলমাত্র সেনা মোতায়েন করে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বরং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান সম্ভব। হুরিয়ত নেতার কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, ভারতের নবনির্বাচিত সরকারের তা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।”

যদিও নিরাপত্তাজনিত কারণে এখন মিরওয়াজ গৃহবন্দী হয়ে রয়েছেন। প্রবীন হুরিয়ত নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানিও গৃহবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে রাজ্যপালের মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Post a Comment

0 Comments