About Me

header ads

প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক কলা এবং বাণিজ্য বিভাগের ফলাফল।

ঘোষণা করা হল ত্রিপুরা মধ্য শিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার বাণিজ্য ও কলা বিভাগের ফলাফল। পর্ষদের কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ফলাফল ঘোষণা করেন পর্ষদের সভাপতি ডঃ ভবতোষ সাহা।

সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এইদিন বলেন এই বছর ১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা। শেষ হয় ৩ এপ্রিল। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার জন্য নাম নথি ভুক্ত করেছিল ২৭ হাজার ১৯৭ জন। তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ছিল ৩ হাজার ৭৮৬ জন। বাণিজ্য বিভাগে ছিল ৯৬০ জন, এবং কলা বিভাগে ছিল ২২ হাজার ৪৫১ জন ছাত্র-ছাত্রী। কিন্তু পরীক্ষায় বসেছিল ২৭ হাজার ১৫৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। তার মধ্যে ছাত্র ছিল ১৩ হাজার ৯০৬ জন। ছাত্রী ছিল ১৩ হাজার ২৪৯ জন। পরীক্ষা হয়েছে ৫৯ টি সেন্টারের ৮৩ টি বিদ্যালয়ে।

পরীক্ষার খাতা দেখা শুরু হয়েছিল ২৫ এপ্রিল থেকে। খাতা দেখা শেষ হয় ২৭ মে। খাতা দেখা শেষ হওয়ার ৯ দিন পর অর্থাৎ পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬৩ দিন পর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এই বছর কোন কয়েদি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেনি। অসদুপায় অবলম্বনের জন্য কোন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়নি।

তিনি আরও জানান বিজ্ঞান বিষয়ে যারা প্রথম দশে স্থান দখল করেছিল। বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও কলা বিভাগ মিলে তারাই প্রথম দশ জনের মধ্যে রয়েছে। তথাপি বাণিজ্য ও কলা বিভাগ মিলিয়ে প্রথম ১০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বাণিজ্য ও কলা বিভাগ মিলে প্রথম ১০ জনের নামের তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা হল প্রথম চন্দ্রপুর কলোনি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের তনুশ্রী বিশ্বাস, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৫১। দ্বিতীয় বিলোনিয়া বিদ্যাপিঠ দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের সৌরভ সরকার, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৫০। তৃতীয় শিশু বিহার স্কুলের ঝিমি পাল, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৪৯। চতুর্থ শিশু বিহার স্কুলের দেবাঞ্জলি দেব, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৪৩। পঞ্চম রানীগঞ্জ দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়ের তনুজা সাহা, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৪০। ষষ্ঠ মতাই দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের জয়শ্রী দত্ত, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৩৮। যুগ্ম ভাবে সপ্তম হয়েছে বেতাকা দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের বিপাসা দত্ত ও ধর্মনগর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের স্বর্ণালি রায়, তাদের প্রাপ্ত নাম্বার ৪৩৬। অষ্টম চেবরি সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের রিচা দত্ত, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৩৫। নবম পশ্চিম পিলাক দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের প্রশান্ত দাস, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৩৩। এবং দশম হয়েছে কামিনী কুমার সিংহ মেমোরিয়াল দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের অভিষেক চক্রবর্তী, তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৩২।

২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কলা বিভাগে পাশের হার ছিল ৭৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। এইবার পাশের হার ৭৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। বাণিজ্য বিভাগে ২০১৮ সালে পাশের হার ছিল ৬৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, এইবার পাশের হার ৭৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও কলা বিভাগ মিলে ২০১৮ সালে পাশের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। এইবার তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ দশমিক ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে পাশের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

Post a Comment

0 Comments