About Me

header ads

জয় শ্রীরাম স্লোগানের জেরে রণক্ষেত্র কাঁচরাপাড়া, পুলিশের লাঠিচার্জ!

তৃণমূল নেতৃত্বের মিটিং, প্রথমে বিজেপির জয় শ্রীরাম স্লোগান, তারপর রাস্তা অবরোধ, পুলিশের লাঠিচার্জ, রেল অবরোধ। শনিবার এসব নিয়ে দিনভর উত্তপ্ত রইল কাঁচরাপাড়া।

শনিবার কাঁচরাপাড়ায় তৃণমূল নেত্রী আলোরাণী সরকারের বাড়িতে যান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মন্ত্রী সুজিত বসু, নির্মল ঘোষ। তারপর গান্ধী মোড়ে এক যুব তৃণমূল নেতার বাড়িতে বৈঠকে করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। বৈঠক চলাকালীন রাস্তায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা জয় শ্রীরাম শ্লোগান দিতে থাকেন। ক্রমশ বাড়তে থাকে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পথে নামে র‌্যাফ। অভিযোগ, পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। তা সত্ত্বেও দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি সমর্থকরা। এলাকায় দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গান্ধী মোড় সংলগ্ন রাস্তায়।

নৈহাটি থেকে দলীয় কার্যালয় পুনর্দখল অভিযান শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার নৈহাটি পুরসভার সামনে ঘরছাড়াদের জন্য ধর্না অবস্থান করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে বক্তব্য রাখার পর নৈহাটিতে পার্টি অফিস উদ্ধার করেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ বৈঠক শেষ করে একে একে বেরিয়ে যান তৃণমূল নেতৃত্ব। তখনও বিক্ষিপ্তভাবে চলতে থাকে জয় শ্রীরাম স্লোগান। জ্যোতিপ্রয় মল্লিক বলেন, “নৈহাটি থেকে পার্টি অফিস উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে। দলীয় কার্যালয় উদ্ধারের কাজ চলবে।” এদিন তিনি সাধারণ মানুষের কাছে হাতজোড় করে বলতে থাকেন, “দেখুন কীভাবে দলীয় কার্যালয় বেদখল করছে বিজেপি।” ফের ১৪ জুন কাঁচরাপাড়ায় বৈঠক হবে জানা গিয়েছে।

নৈহাটিতে ধর্না মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ১৪ জুন তিনি কাঁচরাপাড়ায় যাবেন “কাচড়া” (জঞ্জাল) হঠাতে। সমস্ত দলীয় কার্যালয় উদ্ধার করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সেই কারণে এদিন কাঁচরাপাড়ায় বৈঠকে বসেন উত্তর ২৪ পরগণার তৃণমূল নেতৃত্ব।