About Me

header ads

কয়েকদিনের জন্য ওঁর বিশ্রাম প্রয়োজন: বাবুল সুপ্রিয়

একা অর্জুনে রক্ষে নেই, বাবুল দোসর। দশ লক্ষ পোস্টকার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্তের পর এবার ‘গেট ওয়েল সুন’ কার্ড। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি-বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির আক্রমণ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মস্তিষ্ক বিকৃতি’ ঘটেছে, তাই তাঁর আরোগ্য কামনা করে এবার ‘গেট ওয়েল সুন’ লেখা কার্ড পাঠাতে চলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা আসানসোলের সাংসদ। মমতাকে বিঁধে বাবুলের কটাক্ষ, ‘‘সোশাল মিডিয়ায় ওঁকে নিয়ে অনেক মিম হচ্ছে। এটা ওঁর জন্য ভাল নয়। আমার কেন্দ্র আসানসোল থেকে ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে কার্ড পাঠাব’’।

মমতাকে কটাক্ষ করে বাবুল আরও বলেন, ‘‘উনি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। কিন্তু উনি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। উনি মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আছেন, এটা ওঁর মাথায় রাখা উচিত। কয়েকদিনের জন্য ওঁর বিশ্রাম প্রয়োজন। বাংলায় বিজেপির উত্থানে উনি ঘাবড়ে গিয়েছেন’’।
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ১০ লক্ষ ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা পোস্টকার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যরাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ তথা তৃণমূলের প্রাক্তন ‘বাহুবলী’ নেতা অর্জুন সিং। অর্জুনকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, “আমরা ঠিক করেছি, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ঠিকানায় জয় শ্রীরাম লেখা ১০ লক্ষ পোস্ট কার্ড পাঠাব”।

প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে এবার বাংলায় বড়সড় উত্থান ঘটেছে বিজেপির। তৃণমূলকে রীতিমতো রাজনৈতিক সঙ্কটে ফেলে দিয়ে বাংলায় ১৮টি আসন দখল করেছে বিজেপি। আর এ রাজ্যের পদ্মবাহিনীর এই অভূতপূর্ব উত্থানেই ‘ঘাবড়ে’ গিয়েছেন মমতা। ক্ষোভের মাধ্যমে সেই অস্থিরতা প্রকাশ করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো, এমনই দাবি বিজেপির। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই নৈহাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে কয়েকজন ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেন। এই ধ্বনি শোনামাত্রই গাড়ি থেকে সটান নেমে তাঁদের ধাওয়া করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর প্রকাশ্যে স্লোগানকারীদের উদ্দেশে হুমকিও দিতে দেখা যায় মমতাকে। এর আগেও পশ্চিম মেদিনীপুরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি শুনে মমতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। মমতার এমন ধারাবাহিক আচরণে রীতিমতো রাজনৈতিক হাতিয়ার পেয়ে গিয়েছে বিজেপি-সহ সমগ্র গেরুয়া শিবির। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দাবি করেছে, বাংলায় তাহলে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি নিষিদ্ধ করা হোক। সব মিলিয়ে সুদীর্ঘকাল অসাম্প্রদায়িক তকমা পাওয়া পশ্চিমবঙ্গে রাম রাজনীতি এখন তুঙ্গে।