About Me

header ads

ধর্ম হয়ে উঠুক ঐক্য এবং সংহতির চালিকাশক্তি: অধীররঞ্জন চৌধুরি।

কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা হিসাবে প্রথম ভাষণেই নজর কাড়লেন অধীররঞ্জন চৌধুরি।

দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবারই প্রথম লোকসভায় ভাষণ দেন বহরমপুরের সাংসদ। নতুন স্পিকার ওম বিড়লা এদিন শুরুতে বক্তব্য রাখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। তারপরই তিনি ডেকে নেন অধীরকে। প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের পর্যাপ্ত সংখ্যা না থাকায় অধীর লোকসভার বিরোধী দলনেতার পদ পান নি। কিন্তু প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের দলনেতা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর পরেই তাঁর স্থান।

ভাষণের শুরুতেই অধীর বলেন, “আমাদের দেশ এবং সমাজ এমন হোক, যাতে একজন মুসলিম মসজিদে গিয়ে ভগবান রামকে খুঁজে পান। একইভাবে, একজন হিন্দু পণ্ডিত যেন মন্দিরে গিয়ে খুঁজে পান রহমানকে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে, বিভেদের জেরে যেন দেশ টুকরো টুকরো না হয়ে যায়। ধর্মের রং যেন প্রকট হয়ে না যায়। ধর্ম হয়ে উঠুক ঐক্য এবং সংহতির চালিকাশক্তি।”

নতুন স্পিকারের উদ্দেশে অধীর বলেন, “আপনি রাজস্থানের কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। আমি জানি, ওখানকার কচুরি খুব স্বাদু। আমি প্রার্থনা করব আপনার সভাপতিত্বে এই সভার বিতর্কও যেন তেমনই সুস্বাদু হয়। তা যেন খিচুড়িতে পরিণত না হয়।” বহরমপুরের সাংসদ জানান, কংগ্রেস সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে। ভারতের বিপুল সংখ্যক কৃষকের সমস্যা যাতে সঠিকভাবে সংসদে প্রতিফলিত হয়, সে দিকে নজর রাখবেন তাঁরা। অধীরের পরামর্শ, লোকসভার কাজকর্মে গতি আনতে স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলিকে ছোট করা হোক।

নতুন লোকসভার কংগ্রেসের ভূমিকা প্রসঙ্গে অধীর স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, “আমি আপনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিতে চাই, কংগ্রেস এতদিন পর্যন্ত আলোচনা ও সৌজন্যের নীতিতে বিশ্বাস করে এসেছে, সপ্তদশ লোকসভাতেও তা বজায় থাকবে। তবে আপনিই সভার সভাপতি। আপনিই প্রহরী। লোকসভার গরিমা রক্ষার দায়িত্ব আপনার।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য