About Me

header ads

ইমরান খান কেন মোদীর হয়ে ব্যাটিং করছেন, প্রশ্ন বিরোধীদের!

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের মন্তব্য ঘিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ওপর আক্রমণ শাণিয়েছে বিরোধী দলগুলি। ইমরান খান বলেছেন, বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে ভারত-পাকিস্তান শান্তি আলোচনা এবং কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের সুযোগ বাড়বে। এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলি বলতে শুরু করেছে, “প্রধানমন্ত্রী মোদীকে একটি ভোট দেওয়ার অর্থ পাকিস্তানকে একটি ভোট দেওয়া।”

সংবাদসংস্থা পিটিআই এ ব্যাপারে কংগ্রেসকে উদ্ধৃত করেছে। কংগ্রেস বলেছে, “ইমরান খানের মন্তব্যের থেকে স্পষ্ট যে পাকিস্তান মোদীর সঙ্গে সরকারি ভাবে সংযুক্ত।”

ইসলামাবাদে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে ইমরান খান বলেন, “বিজেপি যদি সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে, তাহলে ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ও কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের সুযোগ বাড়বে।”

ইমরান খান বলেন, অন্য দলগুলি কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভীত।

কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা ইমরান খানের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মোদীকে আক্রমণ করেছেন। সুরজেওয়ালা তাঁর টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তান সরকারিভাবেই মোদীর সঙ্গে যুক্ত। মোদীকে একটি ভোট দেওয়ার মানে পাকিস্তানকে একটি ভোট দেওয়া।

হিন্দি ভাষায় টুইট করতে গিয়ে সুরজেওয়ালা আরও লিখেছেন, “মোদীজি, প্রথমে আপনার ভালবাসা ছিল নওয়াজ শরিফের প্রতি, এখন ইমরান খান আপনার প্রিয় বন্ধু হয়েছেন।” সুরজেওয়ালার দাবি, “সত্য এবার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী মোদী বালাকোট বিমান হামলার পর থেকেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলার অভিযোগ করে আসছিলেন। বিমান হামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলা মাত্রই যে কোনও বিরোধী নেতাদের আক্রমণ করছিলেন তিনি, বলছিলেন, এ ধরনের বক্তব্য পাকিস্তানকে সাহায্য করছে।

সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দিকে তির ছুড়তে ভোলেননি। তিনি বলেছেন, “এবার বোঝা যাচ্ছে পাকিস্তান কার প্রধানমন্ত্রিত্ব চায়।”

তিনি বলেছেন, “পাকিস্তান মোদীর নির্বাচনী প্রচারের একমাত্র ইস্যু, এবং উনি বিরোধীদের পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করতে চান। এখন আমরা জেনে গেলাম পাকিস্তান কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়, একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি আইএসআইকে ফৌজি ঘাঁটিতে নিমন্ত্রণ করে এনেছিলেন এবং একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি অনিমন্ত্রিতভাবে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন।”

ইয়েচুরি বলেন, “বিদেশি সরকার আমাদের গণতান্ত্রিক নির্বাচনী পদ্ধতি প্রভাবিত করতে চাইলে সে নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে। গত বছর জানা গিয়েছিল আইএসআই চায় মোদী প্রধানমন্ত্রী হোক। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী এবার একই কথা বলছেন।”

সিপিআই নেতা ডি রাজা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নির্বাচন সম্পর্কে ইমরান খানের মন্তব্যের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।