About Me

header ads

অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই, অথচ বাদ দরিদ্রতমরাই: সমীক্ষা!

ইন্টিগ্রেটেড চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস (আইসিডিএস)। দেশের অপুষ্টির সঙ্গে যোঝার কর্মসূচী। অথচ সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এই কর্মসূচিতে বাদ পড়ছে দরিদ্রতম মানুষগুলোই। যাদের জীবনে শিক্ষার আলো প্রবেশ করেনি, সেই সব পরিবারের মহিলাদের কাছে পৌঁছচ্ছে না যথাযথ পুষ্টি।

২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে দেশের সর্ব বৃহৎ সরকারি কর্মসূচিটি সবচেয়ে জনপ্রিয়তা পায়, ছড়িয়ে পড়তে থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে, সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত জাত এবং আদিবাসীদের মধ্যে।

ইন্টারন্যশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট (আইএফপিআরআই) -এর সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে যেসব মহিলা এখনও প্রথাগত শিক্ষার আলো থেকে দূরে রয়েছেন, পরিবারে অকল্পনীয় দারিদ্র রয়েছে, তাঁরাই কিন্তু এই পুষ্টি কর্মসূচী থেকে বাদ পড়ে গিয়েছেন।

আইসিডিএস কর্মসূচীভুক্তরা খাবার, প্রাক স্কুল শিক্ষা, ৬ বছরের নীচের শিশুদের, সন্তান সম্ভবা মায়েদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পান।  কিন্তু সমীক্ষার আয়োজকরা জানিয়েছেন সমাজের সব স্তরে সমান ভাবে পৌঁছচ্ছে না। “যদিও সার্বিক বিচার করলে আগের চেয়ে দেশ জুড়ে অনেক বেশি ছড়িয়েছে এই প্রকল্প, কিন্তু প্রান্তিক সম্প্রদায়ের অনেকাংশের কাছেই এই সুবিধা ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে না”, জানালেন আইএফপিআরআই গবেষক কল্যাণী রঘুনাথন। তিনি জানিয়েছেন, “উত্তর প্রদেশ, বিহারের মত রাজ্যে এই বৈষম্য খুব প্রকট। ২০১৬ তে এই দুই রাজ্যেই উন্নতি ঘতেছে, আবার সারা দেশের নিরিখে গড় পুষ্টির হিসেবে বেশ পিছিয়ে রয়েছে দুই রাজ্যই। সাধারন যে দেশে দারিদ্রের হার বেশি, সেখানেই অনেকে বাদ পড়ে যাচ্ছেন জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচী থেকে”।

২০০৫-০৬ এবং ২০১৫-১৬-এর এর ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে থেকে পাওয়া তথ্য বলছে ২০০৬ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে চারটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য রকম উন্নয়ন হয়েছে। পরিপূরক খাদ্য (৯.৬ থেকে ৩৭.৯ %), স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি সংক্রান্ত শিক্ষা (৩.২ থেকে ২১ %), স্বাস্থ্য পরীক্ষা (৪.৫ থেকে ২৮ %), শিশুদের জন্য পরিষেবা (১০.৪ থেকে ২২ %)।