About Me

header ads

মোদীকে চরম আক্রমণ করে ধর্না প্রত্যাহার মমতার!

শেষমেশ তিনদিনের মাথায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্না প্রত্যাহার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীদের(জাতীয় স্তরের বিরোধী দল) অনুরোধেই তিনি ধর্না তুলে নিলেন বলে এদিন জানান মমতা। তবে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে আগামী ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ফের ধর্না করা হবে। দিল্লিতে ওই দু’দিন ধর্না করা হবে বলে এদিন ঘোষণা করেন মমতা।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুকে পাশে নিয়ে ধর্না প্রত্যাহারের ঘোষণা করতে গিয়ে মমতা বলেন, ‘‘এই ধর্না দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ছিল। এটা রাজনৈতিক ধর্না ছিল না।’’

 উল্লেখ্য, রাজীব কুমারকাণ্ডে এদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই এই ধর্না তুলে নেওয়া হল। কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করার নামে ডেকে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে ‘নৈতিক জয়’ বলে বর্ণনা করেন মমতা।

এদিকে, মঙ্গলবার সিবিআইয়ের অধিকর্তাকে চিঠি লিখে কলকাতার পুলিশ কমিশনার জানান, তিনি শিলংয়ে গিয়ে সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দেবেন। চিঠিতে নগরপাল লেখেন, ‘‘আগামী ৮ তারিখ শিলংয়ে গিয়ে হাজিরা দিতে পারব।’’অন্যদিকে, রাজীব কুমারের চিঠি প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের যুগ্ম অধিকর্তা বলেন, ‘‘চিঠি দিলেই তো হয় না, কবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তা ঠিক করবে সিবিআই।’’

প্রসঙ্গত, গত রবিবার লাউডন স্ট্রিটে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে সেদিন রাত থেকে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মমতা। ধর্না মঞ্চে মমতার সঙ্গে দেখা করতে আসেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, ডিএমকে-র কানিমোঝি। ধর্না মঞ্চে মমতাকে ফোন করেন রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, দেবেগৌড়া, ওমর আবদুল্লার মতো বিজেপি বিরোধী নেতারা। পাশাপাশি এ রাজ্যে সিবিআই হানা নিয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে জাতীয় স্তরের বিরোধীদলগুলো। সোমবার এ ইস্যুতে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ।