About Me

header ads

ফেব্রুয়ারি মাসে টেট পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হবে!

বুনিয়াদি স্তরে শিক্ষক নিয়ােগের ক্ষেত্রে পেশাগত ডিগ্রিতে (বি এড/ডি এল এড) এককালীন ছাড়ের পর টেট – ওয়ান এবং টেট-টু পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছে শিক্ষা দপ্তর। আগামী ফেব্রুয়ারী মাসের শেষ সপ্তাহে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী রতন নাথ গতকাল মহাকরণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ সংবাদ জানিয়েছেন। মন্ত্রী শ্রীনাথ জানান, বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষা সংক্রান্ত সূচি প্রকাশ করা হবে।
অনলাইনে পরীক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে। যাদের পেশাগত ডিগ্রি রয়েছে তারা পৃথক ফরমে আবেদন করবে। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে অক্টোবর/নভেম্বর মাসে পরীক্ষা গ্রহণ করা হতে পারে। অনলাইন আবেদনপত্র জমা দেবার সময় শেষ হবার পর জানা যাবে পরীক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা যদি বেশি হয়, তখন একাধিক দিনে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। প্রশ্নোত্তরে মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৬০ শতাংশ কাট অফ মার্কস পেয়ে যারা উত্তীর্ণ হবে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তাদের নামের তালিকা প্রস্তুত করা হবে। চাকরি প্রদানের ক্ষেত্রে যাদের পেশাগত ডিগ্রি রয়েছে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যাদের পেশাগত ডিগ্রি নেই তাদের শূন্যপদের ভিত্তিতে ট্রেনি টিচার হিসাবে নিয়ােগ করা হবে। দুই বছরের মধ্যে তাদের পেশাগত ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। তখন তাদের পদের নাম শিক্ষক হবে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী শিক্ষা দপ্তরে বুনিয়াদি তরে শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার। তালিকাভুক্ত উত্তীর্ণ যারা চাকরি পাবে না তারা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকবে। পরবর্তী সময়ে নিয়ােগের সময় তারা বিবেচিত হবে। টেট-ওয়ান ও টু পরীক্ষার যােগ্যতা সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, টেট-ওয়ান পরীক্ষায় বসতে উচচমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ নম্বর ও ডি এলএড অথবা স্নাতক ডিগ্রি ও ডি এলএড অথবা স্নাতকস্তরে ৫০ শতাংশ নম্বর ও বিএড ডিগ্রি লাগবে। টেট-টু পরীক্ষায় বসতে স্নাতক ডিগ্রির সঙ্গে ডি এল এড অথবা ৫০ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতক ডিগ্রি ও বিএড ডিগ্রি লাগবে। এককালীন ছাড়ে শুধুমাত্র পেশাগত যােগ্যতা না থাকলেও চলবে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট ১০৩২৩ শিক্ষকদের নিয়ােগের ক্ষেত্রে যে সব সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার প্রতিটি সুবিধা প্রদান করবে টেট-ওয়ান ও টু পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়ােগের ক্ষেত্রে।শিক্ষামন্ত্রী শ্রীনাথ পরীক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার যে এককালীন ছাড়ের সুযােগ দিয়েছে সে সুবিধা গ্রহণ করতে।প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার এই ছাড়ের সুবিধা প্রদান করায় রাজ্যের বেকারদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রচুর হবে । শহরের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে এখন পরীক্ষার্থীর উপচেপড়া ভিড়।